শিরোনাম

প্রকাশিত : ২৪ জুন, ২০২২, ১০:৪৭ দুপুর
আপডেট : ২৪ জুন, ২০২২, ১০:৪৭ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

দুই সপ্তাহ পর কমছে যমুনার পানি

এখনো পানিবন্দী অর্ধ লক্ষাধিক মানুষ

সিরাজগঞ্জে বন্যা পরিস্থিতি

মাজহারুল ইসলাম: সিরাজগঞ্জে গত ১২ ঘন্টায় যমুনা নদীর পানি ১০ সেন্টিমিটার কমে শুক্রবার (২৪ জুন) সকালে শহর রক্ষা বাঁধ পয়েন্টে বিপৎসীমার ৩০ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এতে জেলার বন্যা পরিস্থিতি উন্নতি হলেও বন্যাকবলিত এলাকায় এখনো বসতবাড়ি থেকে পানি না নামায় বাড়ি ফিরতে পারছে না বানভাসি মানুষ। পানি উঠে পড়ায় বন্ধ রয়েছে ওই এলাকার ৮৫টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। নষ্ট হয়ে গেছে ১২ হাজার ৫০০ হেক্টর জমির ফসল। আরটিভি

বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড সিরাজগঞ্জের গেজ রিডার হাসানুর রহমান জানিয়েছেন, দ্রুত পানি কমছে। ২-৩ দিনের মধ্যে যমুনা নদীর পানি বিপৎসীমার নিচে চলে আসবে।

তবে বন্যার পানি কমলেও এখনো দুর্ভোগে রয়েছে জেলার ৫ উপজেলার শতাধিক গ্রামের ৫০ হাজার মানুষ। বন্যাকবলিত এলাকাগুলোর প্রায় ৮৫টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পানি উঠে কারণে পাঠদান বন্ধ রয়েছে। চরাঞ্চল ও নিম্নাঞ্চলের প্রায় ১২ হাজার ৫০০ হেক্টর জমির আমন বীজতলা, সবজিসহ উঠতি ফসল নষ্ট হয়েছে। ফলে ক্ষতির মুখে পড়েছেন প্রান্তিক কৃষকেরা। 

এর আগে জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক বাবলু কুমার সূত্রধর জানান, বন্যায় এরই মধ্যে ৯ হাজার ১০৬ হেক্টর জমির পাট, তিল, সবজি, বোনা আমন, রোপা আমনের বীজতলা ও গ্রীষ্মকালীন মরিচ নষ্ট হয়ে গেছে। 

জেলা ত্রাণ কর্মকর্তা আখতারুজ্জামান বলেন, চলতি বন্যায় জেলার ৫ উপজেলার ৩৮টি ইউনিয়নের ৮ হাজার ৪০০ পরিবারের প্রায় ৫২ হাজার মানুষ পানিবন্দী হয়ে পড়েছেন। ইতিমধ্যে বন্যাকবলিত মানুষের মধ্যে ত্রাণ বিতরণের জন্য ১৪০ মেট্রিক টন চাল, ২ লাখ টাকা ৫০০ প্যাকেট শুকনা খাবার বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়াও মজুত আছে ৭৭১ মেট্রিক টন চাল ও ১৪ লাখ টাকা।

সিরাজগঞ্জ পাউবোর নির্বাহী প্রকৌশলী শফিকুল ইসলাম বলেন, পানি আরো কিছুটা কমলে নদীভাঙন যাতে তীব্র হতে না পারে, সে জন্য ঝুঁকিপূর্ণ স্থানগুলোয় বালুভর্তি জিও ব্যাগ ফেলে ভাঙন ঠেকানোর কাজ করা হচ্ছে। পাশাপাশি অতিরিক্ত বালুভর্তি জিও ব্যাগ ঝুঁকিপূর্ণ স্থানগুলোয় মজুত রাখা হচ্ছে।

 

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়