শিরোনাম

প্রকাশিত : ২৩ জুন, ২০২২, ০৩:৩৮ দুপুর
আপডেট : ২৩ জুন, ২০২২, ০৩:৩৮ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

য‌শো‌রে এক লাখ ৩৭ হাজার প‌রিবার আবা‌রো পা‌চ্ছে টি‌সি‌বি পণ্য

টি‌সি‌বি

র‌হিদুল খান : ফের টিসিবির পণ্য পাচ্ছে যশোরের এক লাখ ৩৭ হাজার চারশ’ ৩৯ পরিবার। আগামী ২৬ জুন থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে বিক্রি শুরু হবে এই পণ্য। এদিন আট উপজেলায় ১৮ জন ডিলার পণ্য বিক্রি করবেন। একেকজন ডিলার দু’দিন করে পণ্য বিক্রি করতে পারবেন। ২৫ জুন পর্যন্ত প্যাকেট তৈরির কাজ হবে। প্রত্যেক পরিবারকে ফ্যামিলি কার্ডের মাধ্যমে কিনতে হবে পণ্য। এই কার্ডের বাইরে কেউ টিসিবির পণ্য নিতে পারবেন না।

জেলা প্রশাসনের ব্যবস্থাপনায় টিসিবির পণ্য বিক্রি করবেন ডিলাররা। প্রত্যেক পরিবারের জন্য বরাদ্দ থাকবে একটি প্যাকেট। ওই প্যাকেটে থাকবে দু’লিটার সয়াবিন তেল, দু’কেজি মসুর ডাল ও দু’কেজি চিনি। জেলা প্রশাসনের ব্যবস্থাপনায় টিসিবির ডিলাররা এসব পণ্য সরবরাহ করবেন।টিসিবির পণ্য নেয়ার তালিকায় যশোর জেলায় এক লাখ ৩৭ হাজার চারশ’ ৩৯ পরিবার রয়েছে বলে জেলা প্রশাসন থেকে পাওয়া তথ্যে জানাগেছে। জেলার ৯৩ টি ইউনিয়নের আটশ’ ৩৭ ও আটটি পৌরসভার ৭২ টি মিলে নয়শ’ নয়টি ওয়ার্ডের উল্লেখিত পরিবার ভর্তুকি মূল্যে পাবে টিসিবির তিন পণ্য। অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) রফিকুল হাসান বুধবার বিকেলে জানান, ২৬ জুন রোববার থেকে টিসিবির পণ্য বিক্রি করা হবে। ৭৩ জন ডিলার এসব পণ্য বিক্রি করবেন বলে সূত্র জানিয়েছে।

আতিকুর রহমান নামে একজন টিসিবি ডিলার জানিয়েছেন, প্রতিটি প্যাকেটে দু’ কেজি তেল, দু’ কেজি ডাল ও দু’ কেজি চিনি থাকবে বলে তাদেরকে জানানো হয়েছে। টিসিবির ডিলাররা তেল একশ’ ১০, ডাল ৬৫ ও চিনি ৫৫ টাকা কেজি দরে সরবরাহ করবেন।

যশোর জেলা টিসিবি ডিলার অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক মাহফুজুর রহমান জানিয়েছেন, রোববার থেকে তারা পণ্য বিক্রি করতে পারবেন বলে জেলা প্রশাসন থেকে তাদের জানানো হয়েছে। প্যাকেট করা সাপেক্ষে টিসিবির পণ্য বিক্রি করা হবে বলে জানান জনাব মাহফুজ।

টিসিবির একজন ডিলার নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, রমজান মাসে যে ফ্যামিলি কার্ড সরবরাহ করা হয়েছিল তাতে লেখার জায়গা না থাকায় নতুন করে কার্ড ছাপিয়ে পণ্য বিক্রি করতে হবে। এ কারণে যশোরে টিসিবির পণ্য বিক্রিতে দেরি হচ্ছে। ওই ডিলারের এই দাবি নাকচ করে দিয়েছেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক রফিকুল হাসান। তিনি জানিয়েছেন, রমজান মাসে যে কার্ড বিতরণ করা হয়েছিল তাতে এখনো দু’ বার পণ্য বিক্রি করা যাবে।

এদিকে, নিত্যপণ্যের এই দুর্মূল্যের সময় ভর্তুকি মূল্যে তিনটি পণ্য পেলে অর্থ সাশ্রয় হবে বলে মনে করছেন শ্রমজীবী মানুষ। এমন একজনের নাম আশরাফ হোসেন। তিনি বলেন, ‘রমজান মাসে কার্ডের মাধ্যমে টিসিবির জিনিস পেয়েছিলাম। এখন তেল, ডাল ও চিনির দাম বেশি। আবারও যদি টিসিবির জিনিস পাই তাহলে অনেক উপকার হবে।’  

প্রায় তিনমাস পর টিসিবির পণ্য পাওয়ার খবরে ফ্যামিলি কার্ডধারীর অনেকেই সন্তোষ প্রকাশ করেছেন। তারা অনেক ডিলারের সাথে যোগাযোগ রাখছেন। ডিলাররা বলছেন, কোরবানির ঈদকে সামনে রেখে টিসিবির পণ্য বিক্রির সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়। এই উদ্যোগ কিছুটা হলেও নিম্ন আয়ের মানুষের উপকারে আসবে বলে ডিলাররাও মনে করছেন।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়