শিরোনাম

প্রকাশিত : ২৭ মে, ২০২২, ১২:৪৫ দুপুর
আপডেট : ২৭ মে, ২০২২, ১২:৪৫ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

আদমদীঘিতে ব্যবসা করতে এসে বিপাকে হাঁস খামারী

হাঁসের খামার

মমতাজুর রহমান, আদমদীঘি: [২] বগুড়ার আদমদীঘি উপজেলার সান্তাহারে এক খামারী অন্য গ্রাম থেকে হাঁসের ব্যবসা করতে এসে পড়েছে বিপাকে। স্থানীয় দুই-তিন গ্রুপের বখাটে ছেলেরা কেউ চাইছেন চাঁদা, কেউ নিয়ে যাচ্ছে হাঁস আবার কেউ খামারে বসে করছে মাদক সেবন। এমন অভিযোগ খামার ব্যবসায়ী শাহিন হোসেনের। প্রতিনিয়ত এমন ঘটনায় লোকসান ও হয়রানি হতে হচ্ছে খামার ব্যবসায়ীকে। এমন ঘটনা ঘটেছে উপজেলার সান্তাহার ইউনিয়ন সান্দিড়া গ্রামের রক্তদহ বিল পাড়ে। প্রাণের ঝুঁকিতে পুলিশ প্রশাসনের কাছে মুখ খুলতে নারাজ ভুক্তভোগী খামার ব্যবসায়ীর।

[৩] জানা গেছে, উপজেলার সান্তাহার ইউনিয়ন সান্দিড়া গ্রামের পাশে রক্তদহ বিলপাড়ে অবস্থিত হাঁস খামারটি। শাহিন হোসেন ও ইসমাইল হোসেন দু'জন শেয়ারে এই খামারটি পরিচালনা করেন। তারা দীর্ঘদিন ধরে অন্য গ্রাম থেকে এসে এখানে ব্যবসা করছে। হঠাৎ স্থানীয় কিছু বখাটে ছেলেদের কু-নজরে পড়ে খামারটিতে। প্রতি নিয়ত প্রভাব খাটিয়ে দুই-তিন গ্রুপের বখাটে ছেলেরা ঝামেলা করতে থাকে। কখনো কেউ এসে চায় টাকা আবার কেউ চায় হাঁস। আবার কেউ ঘন্টার পর ঘণ্টা খামারে বসে করছে মাদক সেবন। গত ৬ মাস ধরে তাদের এমন হয়রানি হতে হচ্ছে খামারীকে। 

[৪] ভুক্তভোগী হাঁস খামারী শাহিন হোসেন বলেন, ৪ মাস আগে সান্দিড়া গ্রামের জুয়েল গ্রুপের ৫-৬ জন জোর করে ৫টি ডিম পারা হাঁস নিয়ে যায়। কয়েকদিন পর একই গ্রামের স্বপন ও রনি গ্রুপের ৪টি হাঁস। এরপর এবাদুল ও রিপন গ্রুপের নেশা করতে এসে ৬০টি হাসের ডিম নিয়ে যায়। এছাড়াও সপ্তাহে ২ দিন খামারে বসে এবাদুল, রিপনসহ ৪ জন মাদক সেবন করে। বাঁধা দিলে গালিগালাজ ও হুমকি ধামকি দেয়। 

[৫] তিনি আরও বলেন, প্রথমে তারা টাকা চায়। দিতে না চাইলে হুমকি দিয়ে বলে একদিন দলবদ্ধভাবে এসে সমস্ত হাঁস নিয়ে যাব তখন কে বাঁচাই দেখবো ? এদের চাহিদা বেশি মাঝে মধ্যে গায়ে হাত তুলে। এখন ওদের গ্রামে থাকি রাতের আধারে চলাফেরার জন্য প্রাণের ভয়ে কিছু বলি না। বিচার কোথায় দিবো বুঝতে পারছি না। নিরুপায় হয়ে সব সহ্য করছি। 

[৬] এ বিষয়ে এবাদুল ও রিপন বলেন, খামারে মাঝে মধ্যে যাই। কিন্তু দুটি হাঁস নিয়ে আসছিলাম টাকা দিতে চাইছি তারাই তো নিতে চায়নি। 

[৭] সান্তাহার পুলিশ ফাঁড়ির পরিদর্শক আরিফুল ইসলাম ও উপ পরিদর্শক রকিব হোসেন বলেন, বিষয়টি খতিয়ে দেখে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। 

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়