শিরোনাম

প্রকাশিত : ২৬ মে, ২০২২, ০৯:০১ রাত
আপডেট : ২৬ মে, ২০২২, ০৯:০১ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

‘বিদ্যুৎ-গ্যাসের দাম না বাড়িয়ে নিত্যপণ্যের বাজার নিয়ন্ত্রণ করুন’

অজিত কুমার দাশ হিমু: বিদ্যুৎ ও গ্যাসের দাম বাড়ানোর পাঁয়তারা বন্ধ এবং নিত্যপণের বাজার নিয়ন্ত্রণের দাবিতে কক্সবাজারে জাসদের মানববন্ধন ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। 

২৬ মে বৃহস্পতিবার বিকাল ৪টায় লালদীঘির পাড়স্থ জাসদ চত্ত্বরে কেন্দ্রীয় কর্মসূচীর আলোকে জেলা জাসদের সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট আবুল কালাম আজাদ এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মানববন্ধন ও বিক্ষোভ সমাবেশে বক্তব্য রাখেন- জেলা জাসদের সহ-সভাপতি শ্রী অলক ভট্টাচার্য, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. হোসাইন মাসু, সাংগঠনিক সম্পাদক এডভোকেট রফিক উদ্দিন চৌধুরী, সহ-সম্পাদক একেএম মাহাতাবুল ইসলাম, বিপ্লব বড়ুয়া হিরু, দপ্তর সম্পাদক অজিত কুমার দাশ হিমু, সমাজসেবা বিষয়ক সম্পাদক মোশারফ হোসেন, কার্যনির্বাহী সদস্য লস্কর আলী, সাংবাদিক আমান উল্লাহ, আবুল হাসেম, মো. আমান উল্লাহ আমান, আবদুর রহমান, একরামুল হক কন্ট্রাক্টার, যুব জোট নেতা আবদুর রহিম, নাছির উদ্দিন, লিটন দাশ, আতাউর রহমান লিটন, মো. বেলাল, ওবাইদুল হক, নবী হোসেন, আয়েশা বেগম, কক্সবাজার জেলা মৎস্য শ্রমিক ইউনিয়ন সভাপতি নুরুল ইসলাম ও সাধারণ সম্পাদক আবদুল হালিম প্রমুখ।

নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের মূল্যবৃদ্ধির জন্য মন্ত্রীদের দায়ী করে কক্সবাজার জেলা জাসদ নেতৃবৃন্দরা বলেন- মন্ত্রীদের লাগামহীন কথাবার্তা বাজার সিন্ডিকেটকে উৎসাহিত করছে। 
চাল, ডাল, তেল, লবণ, পেয়াজ, পোল্ট্রি মুরগি, ডিমের অস্বাভাবিক ও অযৌক্তিক মূল্যবৃদ্ধিতে নিম্ন আয়ের মানুষের জীবনে নাভিশ্বাস ওঠেছে। বাজার সিন্ডিকেটের কারসাজির কারণেই নিত্যপণ্যের বাজার আজ নিয়ন্ত্রণহীন। বাজার সিন্ডিকেটের দাপট দেখে মনে হয় সরকার ও প্রশাসন বাজার সিন্ডিকেটের কাছে অসহায় হয়ে পড়েছে।

বর্তমান জাতীয় ও আন্তর্জাতিক অর্থনৈতিক পরিস্থিতিতে বিদ্যুৎ ও গ্যাসের দাম সামান্যতম বাড়ানো হলেও জনগণের জীবনযাপনের ব্যয় অনেক বেড়ে যাবে। কুইক রেন্টালসহ বিদ্যুৎ খাতের শ্বেতহস্তী পোষা অবিলম্বে বন্ধ করতে হবে। পাশাপাশি নিত্যপণ্যের বাজার নিয়ন্ত্রণ করতে হবে। বাজার নিয়ে মন্ত্রীদের লাগামহীন কথাবার্তা বাজার সিন্ডিকেটকে উৎসাহিত করছে। বাজার নিয়ন্ত্রণে আনতে এসব সিন্ডিকেটকে কঠোরভাবে দমন করার দাবী জানান জাসদ নেতৃবৃন্দরা। 

এ ছাড়া বঙ্গোপসাগরে মাছ আহরণ ৬৫ দিনের জন্য বন্ধ ঘোষনা করেছে সরকার। সাগরে মাছ আহরণ বন্ধের কারণে কক্সবাজারের হাজার হাজার মৎস্য শ্রমিক বেকার হয়ে পড়েছে। শ্রমিকরা যাতে বেকার সময়ে পরিবার নিয়ে চিন্তামুক্তভাবে ৬৫দিন অতিবাহিত করতে পারে তার জন্য সরকারের সংশ্লিষ্ট দপ্তরের মাধ্যমে প্রতিটি মৎস্য শ্রমিককে প্রনোদনার মাধ্যমে পুনর্বাসন করার জন্য মানব বন্ধন থেকে দাবী জানানো হয়। 

 

  • সর্বশেষ