শিরোনাম
◈ আতর-টুপির বাজারে ধস, হতাশ ব্যবসায়ীরা ◈ ঈদযাত্রায় বেনাপোলে মানুষের ঢল ◈ বিদ্যুৎ সাশ্রয়ে আলোকসজ্জায় নিষেধাজ্ঞা ◈ ৫ দিনে রেমিটেন্স এলো ৫ হাজার কোটি টাকা ◈ জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানোর ইঙ্গিত দিলেন বিদ্যুৎপ্রতিমন্ত্রী ◈ বঙ্গবন্ধু কূটনৈতিক উৎকর্ষ পদক পেলেন লায়লা হোসেন ও ইতো নাওকি ◈ রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে আরো সক্রিয় হতে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতি আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর ◈ লজ্জা থাকলে বিএনপি লোডশেডিং নিয়ে বলতো না: ওবায়দুল কাদের ◈ কুষ্টিয়া নিখোঁজের ৫ দিন পর  আমাদের নতুন সময়ের সাংবাদিক রুবেলের মরদেহ উদ্ধার, পরিবারের দাবি হত্যা ◈ দলীয় প্রধানের পদ থেকে বরিস জনসনের পদত্যাগ, প্রধানমন্ত্রীত্বও ছাড়বেন

প্রকাশিত : ১৫ মে, ২০২২, ০৯:১২ সকাল
আপডেট : ১৫ মে, ২০২২, ০৯:১২ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

সিলেটে তরমুজ ফেলা হচ্ছে সুরমায়

তরমুজ

ডেস্ক রিপোর্ট: তরমুজ চাষে লাভবান হওয়ায় এবার বেড়েছে তরমুজের আবাদ। তবে এবার সিলেটে ক্রেতাহীন থাকায় তরমুজের দাম নেমেছে তলানিতে। দোকানে পচে নষ্ট হওয়া তরমুজ ফেলা হচ্ছে নদীতে।

শনিবার (১৪ মে) এমন দৃশ্য দেখা গেছে সিলেট নগরীর সবচেয়ে বৃহৎ ফলের আড়ত কদমতলীতে। আড়তগুলোতে নষ্ট হতে চলেছে অন্তত কোটি টাকার তরমুজ। তাই ব্যবসায়ীদের মধ্যে তরমুজ নিয়ে দুশ্চিন্তার অন্ত নেই। অথচ মাস খানেক আগেও বেশি দামে তরমুজ বিক্রির কারণে জরিমানা গুনতে হয়েছে এসব ব্যবসায়ীদের। এরপরও তরমুজের গলাকাটা দাম রাখেন তারা। অনেকের সাধ্যের মধ্যে না থাকায় কেনাতো দূরে থাক, তরমুজের কাছেও যেতে পারেননি। সেই তরমুজ এখন সিলেটের ব্যবসায়ীদের গলার কাটা হয়ে দাঁড়িয়েছে।

জানা গেছে, গেলো রমজানে এপ্রিলের শেষের দিকেও সিলেটের বাজারে ২০০ টাকার তরমুজ বিক্রি করা হচ্ছিল ৫৫০ টাকায়। বেশি দামে ফল বিক্রির অপরাধে ৫টি প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা করে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর। আগে বেশি দামে বিক্রি করায় জরিমানার ভয় ছিল ব্যবসায়ীদের। এবার দোকানে মজুতকৃত তরমুজ-ই হয়েছে ভোগান্তির কারণ।

তরমুজ ব্যবসায়ীরা জানান, আগে যে তরমুজ ৫০০ টাকা বিক্রি হয়েছে, সেটি এখন দেড়শ’ টাকায়ও নিচ্ছেন না খুচরা ব্যবসায়ীরা। আর গত কয়েক দিনের বৃষ্টিতে তরমুজ পচে নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। পচন ধরা তরমুজ অন্যটিতে লেগে দাগ ধরছে। যে কারণে পচে যাওয়া তরমুজ নদীতে ফেলে দিচ্ছেন তারা।

কদমতলীর আড়তের ব্যবসায়ী ফুল মিয়া বলেন, দোকানে প্রায় ২৫ লাখ টাকার তরমুজ আটকে আছে। টানা বর্ষণের কারণে মফস্বল এলাকা থেকে ক্রেতারা না আসায় তরমুজ দোকানে আটকে পচন ধরেছে। তাই ফেলে দেওয়া হচ্ছে।

একইভাবে ব্যবসায়ী মঈন আহমেদ বলেন, গরমে তরমুজের চড়া দাম ছিল। চলছিল ভাল। এ কারণে অন্তত ২০ লাখ টাকার তরমুজ পাইকারি কিনে এনেছিলাম। কিন্তু গত কয়েকদিনের টানা বর্ষণে সব শেষ হয়ে গেছে। অবস্থা দৃষ্টে ক্রেতাদেরকেও বিরূপ মন্তব্য করতে শোনা যাচ্ছে। কারো কারো মতে বেশি লাভের আশায় এবার তরমুজের আড়ৎদারদের লোকসান গুনতে হচ্ছে। তাই অতি লোভ ভালো নয় বলে মন্তব্য করেন তারা। আর টিভি

  • সর্বশেষ