শিরোনাম

প্রকাশিত : ০৭ জুলাই, ২০২২, ০২:০৭ দুপুর
আপডেট : ০৭ জুলাই, ২০২২, ০২:০৭ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

টুংটাং শব্দে শেষ মুহূর্তে ব্যস্ত সময় পার করছেন কামাররা

ব্যস্ত সময় পার করছেন কামাররা

ফিরোজ আহম্মেদ, ঝিনাইদহ: ক্ষুদ্র লৌহজাত শিল্পের উপর নির্ভরশীল ঝিনাইদহ জেলার পেশাদার কামাররা। বছর ঘুরে পবিত্র ঈদুল আযহা এলেই লোহার নানা জিনিস তৈরির টুং টাং শব্দে মুখর হয়ে ওঠে। ঈদকে সামনে রেখে কুরবানির পশু জবাইয়ের সরঞ্জাম তৈরিতে শেষ মুহূর্তে ব্যস্ত সময় পাড় করছেন।

সরেজমিন দেখা যায়, কামারের দোকানগুলোতে কেউ আসছেন পুরোনো ছুরি, কাঁচিতে শান দিতে। কেউ আসছেন নতুন কাজের অর্ডার নিয়ে। ঈদ সামনে রেখে পশু কোরবানির বড় ছুরি, ছোট ছুরি, চাপাতি, বটির চাহিদা বাড়ছে। তাদের দোকানে টুং টাং শব্দ করে তৈরি হচ্ছে একেকটি ধারালো উপকরণ।

কালীগঞ্জ বাজারে বিহারী মোড় এলাকার অধিকারী ছান ঘরের মালিক, শ্রী খগেন অধিকারী কর্মকার কাজের ফাঁকেই বলেন, ২৫ বছর ধরে এ পেশার সঙ্গে রয়েছেন তিনি। সারা বছর তেমন কাজের চাপ না থাকলেও বছরে কোরবানি ঈদে কাজের ব্যস্ততা দু’গুণ বেড়ে যায়। তবে বর্তমানে লোহা ও কয়লার দাম বেশি হওয়ায় লাভ খুব কম হচ্ছে বলে তিনি জানান।

উপজেলা বানুড়িয়া  বাজার এর এক কর্মকার মোবাইল ফোনে বলেন, এ বছর কাজ কম, ক্রেতার ভিড় কম, লৌহার দাম বেশি থাকার করনে আমার কাজের চাপ কম, গত বছর করোনা কালীন সময়ে ও একটু জিরানোর সময় পাইনি, রাত্র বারোটা থেকে একটা পর্যন্ত কাজ করতে হয়েছে।
  
আড়পাড়া গ্রামের ভজন কর্মকার বলেন, বাপ দাদার আমলের এই পেশা আমি পর্যন্তই শেষ আমার ছেলেরা এই কর্ম করে চলতে পারবে না, হারিয়ে যাবে। সরকার সমাজ সেবা অধিদপ্তর থেকে সহোযোগিতা না করলে আমাদের বাপ দাদার এই পেশা থেকে অনেকে সরে দারাবে।

ক্রেতা কাশিপুর গ্রামের মুজিবর রহমান বলেন, কোরবানির গরুর মাংস কাটার জন্য নতুন চাপাতি কিনতে এসেছি। তৈরি করা তেমন ভালো চাপাতি পাচ্ছি না। তাই এক কেজি ওজনের ইস্পাত কিনে নতুন চাপাতি বানাতে দিলাম।

আর এক ক্রেতা বলেন, আমার এলাকা  কামার বসে না তাই কালীগঞ্জ বাজারে এসেছি, এবছর চাপাতির দাম অনেক বেশি মনে হচ্ছে।

  • সর্বশেষ