শিরোনাম

প্রকাশিত : ২৯ জুন, ২০২২, ০১:৩৬ দুপুর
আপডেট : ২৯ জুন, ২০২২, ০১:৩৬ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

শেষ সময়ে পরিচর্যায় ব্যস্ত খামারিরা

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় কোরবানীর হাটের জন্য প্রস্তুত পশুরা

শেষ সময়ে পরিচর্যায় ব্যস্ত খামারিরা

তৌহিদুর রহমান : জেলায় খামারি আছেন ১২ হাজার ৪০০ জন। খামারগুলোতে দেশি, শাহিওয়াল ও ফ্রিজিয়ানসহ বিভিন্ন জাতের গরু লালন-পালন করা হচ্ছে। 

প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের তথ্য মতে, এ বছর জেলায় কোরবানির পশুর চাহিদা আছে ১ লাখ ৭০ হাজার ৫২০টি। এর মধ্যে জেলার খামারগুলোতে প্রস্তুত আছে ১ লাখ ১১ হাজার ৬১৭টি গরু, মহিষ ও ছাগল। এর ফলে এবার ৫৮ হাজার ৯০৩টি কোরবানিযোগ্য পশুর ঘাটতি রয়েছে। গত বছরের চাহিদা বিবেচনায় এ বছরের চাহিদা নির্ধারণ করেছে প্রাণিসম্পদ বিভাগ।

জেলার খামারগুলোতে কোরবানি যোগ্য যে পরিমাণ গরু, মহিষ ও ছাগল প্রস্তুত আছে, তা চাহিদার তুলনায় প্রায় ৫৯ হাজার কম। আসন্ন ঈদুল আজহা উপলক্ষে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কোরবানির পশুর হাটগুলোতে অন্তত ৭০০ কোটি টাকার পশু বেচাকেনা হবে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা।

কয়েকজন খামারির সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, মাস তিনেক আগেও প্রতি বস্তা (৪০ কেজি) ভূসির মূল্য ছিল ১৩০০-১৪০০ টাকা। এখন সেই ভূসি কিনতে হচ্ছে ১৭৫০-১৮০০ টাকা দিয়ে। আর খৈল প্রতি বস্তার (৪০ কেজি) বাজারদর আগে ছিল ১৪০০-১৫০০ টাকা। এখন খৈলের বস্তার দাম ২০০০ টাকা। এছাড়া ধানের গুড়ার দাম দ্বিগুণ হয়েছে। এ কারণে হাটে ছোট গরুর দাম স্বাভাবিকের চেয়ে ৫-১০ হাজার, মাঝারি গরু ১০-১২ হাজার এবং বড় গরুর দাম ১০-১৫ হাজার টাকা বাড়তে পারে বলে জানিয়েছেন খামারিরা।

খামারিরী কুদ্দুস মিয়া জানান, তাদের খামারে এবার কোরবানি উপযুক্ত ৩০টি গরু আছে। এর সবগুলো দেশি ও শাহিওয়াল জাতের। এবার হাটে গত বছরের তুলনায় গরুর দাম কিছুটা বাড়বে। কারণ গোখাদ্যের দাম বেড়েছে। এছাড়া করোনার কারণে প্রত্যেক খামারি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন।

আরেক খামারি আব্দুল হাই জানান, গোখাদ্যের দাম হু হু করে বাড়ছে। এতে করে গরু পালনে খরচও বাড়ছে। এভাবে চলতে থাকলে গরুর ফার্মগুলো টিকে থাকা দায় হয়ে পড়বে।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. এ. বি. এম. সাইফুজ্জামান বলেন, ‘গোখাদ্যের দাম বাড়ায় গবাদিপশুকে খড় খাওয়ানোর ওপর নির্ভর হওয়ার জন্য আমরা খামারিদের উৎসাহিত করছি। এতে করে তাদের খরচও কমে আসবে। তবে আমাদের হিসেবে এখন পর্যন্ত পশুর যে ঘাটতি আছে, সেটি হয়তো ঈদ আসার আগেই পূরণ হয়ে যাবে। কারণ পশুর হাটগুলোতে দেশের অন্য জেলা থেকেও পশু আসবে। এবার অন্তত ৭০০ কোটি টাকার পশু বেচাকেনা হবে বলে আমরা আশা করছি। তবে টাকার পরিমাণ আরও বাড়তে পারে।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়