শিরোনাম

প্রকাশিত : ২৪ জুন, ২০২২, ১২:০০ দুপুর
আপডেট : ২৪ জুন, ২০২২, ১২:৫০ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

পাকিস্তানে কাগজ সংকট, বইখাতা পাচ্ছে না শিক্ষার্থীরা

রাশিদুল ইসলাম : পাকিস্তানে বই ছাপানো আটকে গেছে কাগজের অভাবে। পরিস্থিতি এমনই, আগামী সেশনে নতুন ক্লাসে উঠে বইখাতাও পাবে না শিক্ষার্থীরা। সরকারি নীতির গাফিলতিতে এই অবস্থায় পৌঁছেছে দেশটির কাগজের বাজার। দি ওয়াল 

পাকিস্তানের কাগজ ব্যবসায়ী সংগঠনগুলির তরফে জানানো হয়েছে, কাগজের সংকট হু হু করে বাড়ছে। দাম এত বেশি, যে তা কিনতেই পারছেন না ব্যবসায়ীরা। ফলে বইখাতাও তৈরি হচ্ছে না। এবছরের কোনও টেক্সটবুক এখনও ছাপা শুরুই হয়নি। আগস্ট থেকে নতুন ক্লাসে উঠে বইখাতা পাবে না শিক্ষার্থীরা। 

পাকিস্তানের বিশেষজ্ঞ অর্থনীতিকরা জানিয়েছেন, এ জন্য সম্পূর্ণ দায়ী সরকার। আয়াজ আমির নামের এক কলামিস্ট পাক সংবাদমাধ্যমে লিখেছেন, ‘আমরা আয়ুব খান, ইয়াইয়া খান, জুলফিকার আলি ভুট্টো, মুহাম্মদ জিয়াউল হক সকলের শাসনকালই দেখেছি। সমস্যা বরাবরই একটাই থেকে গেছে। সমস্যা সমাধানের জন্য তারা ঋণ নেন। তার পরে সেই ঋণ পরিশোধের জন্য আরও বেশি ঋণ নিয়ে ফের আরও বড় সমস্যা তৈরি করেন। এটা একটা চক্রের মতো ঘুরতেই থাকে। এখন পরিস্থিতি এমন হয়েছে, আর কোথাও ঋণ নেওয়ার জায়গা নেই। সেই জিয়াউল হকের আমলে নেওয়া ১১ কোটি লোন এখনও বাকি। এদিকে দেশের জনসংখ্যা বেড়ে দ্বিগুণ হয়ে গেছে, খরচ বেড়েছে। ফলে পুরোনো ঋণ শোধ হবে কী করে!’ 

এসবের মধ্যে চীনের তরফে চাপ আসছে, পুরোনো ঋণ পরিশোধের। ২০২১-২২ অর্থবর্ষে পাকিস্তান ১৫ কোটি মার্কিন ডলার কেবল সুদ হিসেবে ফেরত দিয়েছে চীনকে। আসল ঋণের অঙ্ক ৪৫০ কোটি মার্কিন ডলার। এর আগের বছরে ৩০০ কোটি নিয়েছিল পাকিস্তান, সুদ হিসেবে দিয়েছে ১২ কোটি মার্কিন ডলার।

শুধু চীন নয়, সৌদি আরব, কাতার, ইন্টারন্যাশনাল মানিটারি ফান্ড সব জায়গা থেকেই ৩০ বছর ধরে ঋণ নিয়ে আসছে পাকিস্তান। বেশির ভাগ ঋণ নিয়ে শুরু হওয়া প্রকল্প মাঝপথে থেমেও গেছে। ফলে টাকা উসুল হয়নি। এই অবস্থায় আর্থিক ভাবে গোটা দেশটির অবস্থা শোচনীয়।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়