শিরোনাম

প্রকাশিত : ১৪ মে, ২০২২, ০৫:৫৩ বিকাল
আপডেট : ১৪ মে, ২০২২, ০৭:৪৩ বিকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

ঐক্য সরকার গঠনে হিমশিম খাচ্ছেন শ্রীলংকার নতুন প্রধানমন্ত্রী

রণিল বিক্রমাসিংহে

লিহান লিমা: [২] ঐক্য সরকার গঠন করতে এবং একটি আসন্ন অর্থনৈতিক পতন প্রতিরোধে চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছেন শ্রীলংকার নতুন প্রধানমন্ত্রী রণিল বিক্রমাসিংহে (৭৩)।  বিরোধী আইন প্রণেতারা তার মন্ত্রিসভায় যোগ দিতে অস্বীকার করে নতুন নির্বাচনের দাবি জানিয়েছে। এএফপি

[৩] রণিল বলেছেন, তার দেশ শাসন করার জন্য যথেষ্ট সমর্থন রয়েছে এবং তিনি ইতোমধ্যে তার সঙ্গে তার সাথে যোগদানের জন্য বেশ কয়েকজন আইনপ্রণেতার সঙ্গে যোগাযোগ করেছেন।  তবে চারটি বিরোধী দল ইতিমধ্যে বলেছে, তার প্রধানমন্ত্রীত্বের বৈধতার অভাব রয়েছে।

[৪] সিনিয়র বিরোধী আইন প্রণেতা হার্শা ডি সিলভা প্রকাশ্যে অর্থমন্ত্রীর পদ গ্রহণ করতে প্রত্যাখ্যান করে বলেছেন এর পরিবর্তে তিনি সরকারের পদত্যাগের জন্য চাপ দেবেন। এক বিবৃতিতে তি বলেন, মানুষ রাজনৈতিক খেলা এবং চুক্তির জন্য আন্দোলন করছে না তারা একটি নতুন ব্যবস্থা চায় যা তাদের ভবিষ্যতকে সুরক্ষিত করবে। ডি সিলভা বলেন, তিনি  প্রেসিডেন্ট গৌতব্য রাজাপাকসেকে ক্ষমতাচুত্য করতে জনগণের সংগ্রামে যোগ দিচ্ছেন এবং তিনি এমন কোনও রাজনৈতিক মীমাংসাকে সমর্থন করবেন না যা রাজাপাকসের পক্ষে থাকবে। 

[৫] ক্রমবর্ধমান অর্থনৈতিক সংকটের বিরুদ্ধে প্রশাসনের অব্যবস্থাপনার জন্য রাজাপাকসের বিরুদ্ধে গত কয়েক সপ্তাহ ধরে গণ-বিক্ষোভ চলছে। রাজধানী কলম্বোতে তার অফিসের বাইরে শত শত বিক্ষোভকারী প্রতিবাদ শিবির গড়েছেন। ক্যাম্পে থাকা চামালগে শিবকুমার বলেন, ‘জনগণ যখন ন্যায়বিচার পাবে তখন আমরা এই সংগ্রাম বন্ধ করব। তারা যাকেই প্রধানমন্ত্রী নিয়োগ করুক, জনগণ স্বস্তি না পাওয়া পর্যন্ত আমরা এই সংগ্রাম বন্ধ করব না।’

[৬] ডি সিলভা সামাগি শ্রীলংকার পার্লামেন্টের একক বৃহত্তম বিরোধী দল জনা বালাওয়েগয়া (এসজেবি) এর একজন সদস্য। সিপন্টার উপদলের প্রধান হারিন ফার্নান্দো বলেছেন, আমি বিক্রমাসিংহের সরকারকে সমর্থন করব না। বামপন্থী পিপলস লিবারেশন ফ্রন্ট (জেভিপি) নতুন নির্বাচনের দাবি করেছে। তিনটি ছোট দলও ইঙ্গিত দিয়েছে যে তারা কোনো ঐক্য সরকারে যোগ দেবে না।

[৭] যদিও শ্রীলংকার পরিস্থিতি এতটাই নাজুক যে কাগজের ঘাটতির কারণে স্কুলগুলো পরীক্ষা স্থগিত করতে বাধ্য হয়েছে। সেখানে নির্বাচনের খরচ বহন বা ব্যালেট ছাপানোর বিষয়টির সম্ভাবনা খুবই কম। ২০২৫ সালের আগস্ট পর্যন্ত দেশটিতে সংসদীয় নির্বাচন হবে না।

[৮] কলম্বো ভিত্তিক সেন্টার ফর পলিসি অল্টারনেটিভস থিঙ্ক ট্যাঙ্কের পাইকিয়াসোথি সারাভানামুত্তু বলেছেন, বিক্রমাসিংহে সম্ভবত রাজাপাকসের মিত্র আইন প্রণেতাদের সমর্থনে শাসন করতে সক্ষম হবেন। তিনি শীঘ্রই একটি মন্ত্রীসভা নিয়োগ করে কাজ শুরু করবেন। কলম্বোতে বিদেশী কূটনীতিকরা আনুষ্ঠানিকভাবে দায়িত্ব গ্রহণের পর বিক্রমাসিংহেকে ফোন দিয়েছেন।  চীন, প্রতিবেশী ভারত ও জাপানের রাষ্ট্রদূতরা সংকটাপন্ন দেশটিকে সহায়তা প্রদানের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন বলেন জানিয়েছে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়।

 

  • সর্বশেষ