শিরোনাম

প্রকাশিত : ০৩ জুলাই, ২০২২, ০১:৫৮ রাত
আপডেট : ০৩ জুলাই, ২০২২, ০৫:৫৭ বিকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

মেগান-কাণ্ডে বিব্রত রানি বলেছেন, এবার থামানো দরকার

সালেহ্ বিপ্লব: হ্যারি আর মেগানকে নিয়ে ভীষণ বিব্রত রানি এলিজাবেথ। রাজপরিবারের ঘনিষ্ঠ সূত্র বলছে, রানি চাইছেন, মেগানের বিরুদ্ধে দুই কর্মচারীর সঙ্গে দুর্ব্যবহারের যে অভিযোগ, তার তদন্ত গোপনেই হোক। রানি চান, এই সব নাটকের এখানেই শেষ হোক। আর যে সব গালগল্প রটেছে, সেগুলোরও ইতি টানা হোক। ডেইলি মেইল 

রাজপ্রাসাদ সূত্র জানায়, ডাচেস অব সাসেক্স মেগান মার্কেলের বিরুদ্ধে রাজপরিবারের দুই কর্মচারীর আনা দুর্ব্যবহারের অভিযোগ কীভাবে নিষ্পত্তি করা হয়েছে, তা প্রকাশ করা হবে না। বিবিসি
কর্মচারীদের সঙ্গে দুর্ব্যবহারের অভিযোগের বিষয়ে তদন্ত শুরু হয় ২০২১ সালের মার্চে। এর পরিপ্রেক্ষিতে গৃহীত পদক্ষেপগুলো উঠে আসে পর্যালোচনা প্রতিবেদনে।  বিবিসি

বাকিংহাম প্রাসাদ সূত্র জানিয়েছে, তদন্ত প্রক্রিয়ায় যারা অংশ নিয়েছেন, তাদের ব্যাপারে স্বভাবতই গোপনীয়তা অবলম্বন করা হবে। নামপরিচয় প্রকাশ করা হবে না।  এদিকে ফাঁস হয়ে যাওয়া একটি ইমেইলে জানা গেছে, মেগান শুধু দুর্ব্যবহারই করেননি, ওই দুই কর্মচারীকে প্রাসাদ থেকে বের করে দেওয়া হয়েছে। কিন্তু মেগান মার্কেল তারা বিরুদ্ধে আনা সব অভিযোগ দৃঢ়তার সঙ্গে অস্বীকার করেছেন। দ্য টাইমস

কর্মচারীদের সঙ্গে দুর্ব্যবহারের অভিযোগটি রাজপরিবারের কিছু পরিবর্তনের সূচনা করেছে। প্রাসাদ সূত্র জানায়, মেগানের বিরুদ্ধে তদন্তের পর বাকিংহাম প্যালেসের মানবসম্পদ বিভাগের কার্যপরিচালনার নীতিমালায় কিছু পরিবর্তন আনা হয়। এই পরিবর্তনের ফলে রাজকর্মচারীদের কাজের গুরুত্ব ও সম্মান বাড়বে। ডেডলাইন

অপরাহ্ উইনফ্রেকে দেওয়া হ্যারি-মেগান দম্পতির সাক্ষাতকার নিয়েও তুমুল সমালোচনা হয়েছে। ডিউক অব সাসেক্স প্রিন্স হ্যারি ও তার স্ত্রী ডাচেস অব সাসেক্স মেগানের ওই সাক্ষাৎকার প্রচারের কয়েক দিন আগেই কর্মচারীদের সঙ্গে মেগানের দুর্ব্যবহারের অভিযোগ উঠেছিল। সাক্ষাৎকারে রাজপরিবারের ভেতরের অনেক খবর এবং বর্ণবিদ্বেষের অভিযোগ এনেছেন হ্যারি-মেগান দম্পতি। 
২০২০ সালের মার্চে হ্যারি-মেগান তাদের রাজকীয় পদপদবী ও দায়িত্ব ছেড়ে প্রাসাদ ত্যাগ করেন। দুই সন্তান নিয়ে তারা এখন মাকির্ন যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায় বসবাস করছেন। 

  • সর্বশেষ