শিরোনাম
◈ সরকার দূর্নীতির মাধ্যমে দেশের অর্থনীতি পঙ্গু করেছে: মির্জা ফখরুল ◈ ইসরাইলের সঙ্গে উত্তেজনা, ইহুদি এজেন্সি বন্ধ করে দিচ্ছে রাশিয়া ◈ পররাষ্ট্রমন্ত্রীর বক্তব্য ব্যক্তিগত, ভারতকে অনুরোধ করেনি আওয়ামী লীগ ◈ মিডিয়াকে সহনশীল হওয়ার অনুরোধ পররাষ্ট্রমন্ত্রীর ◈ টি-টোয়েন্টি একাদশ নির্বাচন করবে সাকিব ◈ ইতালিতে বাংলাদেশ দূতাবাসে ভাঙচুর, পুলিশ মোতায়েন ◈ বিশ্বের ১০০ শীর্ষ বন্দরের তালিকায় ৬৪তম চট্টগ্রাম বন্দর ◈ চলন্ত লঞ্চে সন্তান প্রসব, আজীবন যাতায়াত ‘ফ্রি’ ◈ মৌলভীবাজারে টিলা ধসে ৪ নারী চা শ্রমিক নিহত ◈ ‘পররাষ্ট্রমন্ত্রীর বক্তব্য প্রমাণ করে স্বাধীনতায় তাদের বিশ্বাস নাই’

প্রকাশিত : ০১ জুলাই, ২০২২, ১০:০০ রাত
আপডেট : ০২ জুলাই, ২০২২, ০৫:২৭ বিকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

সর্বকালের সর্বনিম্ন মানে ভারতীয় রুপি

রুপি

মিনহাজুল আবেদীন: উপমহাদেশের অন্যান্য মুদ্রার মতো ভারতীয় মুদ্রা রুপিরও দরপতন চলছেই। শুক্রবার বাজার খুলতেই এক ডলারের নিরিখে রুপির দাম দাঁড়ালো সর্বনিম্ন। ৫ পয়সা বৃদ্ধি পেয়ে এখন এক ডলারের দাম দাঁড়িয়েছে ৭৯ দশমিক ১১ রুপি, যা সর্বকালের রেকর্ড। পিটিআই

শুক্রবার সকালে পতন হয়েছে ভারতের শেয়ারবাজারেরও। বাজার খোলার পর ৩৯৯ দশমিক ৬৯ সূচক পড়ে সেনসেক্স দাঁড়ায় ৫২ হাজার ৬১৯ দশমিক ২৫-এ। নিফটি ১৩০ দশমিক ২৫ পয়েন্ট পড়ে গিয়ে হয় ১৫ হাজার ৬৫০।

শুক্রবার সকালে রুপির দরপতন অব্যাহত থাকার ফলে চলতি অর্থবছরে ডলারের তুলনায় রুপির দাম প্রায় ৬ শতাংশ অবমূল্যায়িত হলো। বিশ্ববাজারে তেলের মূল্যবৃদ্ধির জেরেই কি বাড়তি চাপে রুপি, এমন প্রশ্নের জবাবে অর্থনৈতিক বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, রুপির দাম এমন পতনের অন্যতম কারণ, ভারতের ইক্যুইটি বাজার থেকে বিদেশি প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীরা বা এফআইআইয়ের মূলধন তুলে নেওয়া এবং অতি অবশ্যই বিশ্ববাজারে অপরিশোধিত তেলের মূল্যবৃদ্ধি। প্রথম আলো 

এদিকে দ্য ইউএস ডলার ইনডেক্স অনুযায়ী, ২০ বছরের মধ্যে ডলারের মান এখন সবচেয়ে বেশি।

বিশ্লেষকদের মতে, এ মুহূর্তে ডলারের সাপেক্ষে অন্যান্য মুদ্রার দামের পতনের বহুবিধ কারণ থাকলেও প্রধান কারণ দুটি। এক, রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের ফলে পেট্রোলিয়াম থেকে রকমারি পণ্য সবকিছুরই দাম বেড়েছে। অর্থাৎ ডলারের অঙ্কে সেই পণ্যগুলোর দাম বেড়েছে। অনেক ক্ষেত্রে আমদানির পরিমাণ অন্তত স্বল্প মেয়াদে কমানো অসম্ভব, ফলে আমদানি ব্যয় বেড়েছে। শুধু বাংলাদেশে নয়, সব দেশেরই। 

দ্বিতীয় কারণটি হলো, আমেরিকার ফেডারেল রিজার্ভ সুদের হার বাড়িয়েছে। সারা পৃথিবীতে আর্থিক ক্ষেত্রে তুমুল অনিশ্চয়তা চলছে। এ অবস্থায় বিনিয়োগকারীরা স্বাভাবিকভাবেই নিরাপদ আশ্রয়ের সন্ধান করছেন। সুদের হার বেড়ে যাওয়ায় মার্কিন ডলার সে দেশেই জমা রাখা লাভজনক, নিরাপদ। ফলে ভারতের মতো বাজার থেকে বিনিয়োগ তুলে নেওয়ার চল শুরু হয়েছে। অন্যান্য দেশ থেকেও বিনিয়োগ প্রত্যাহার করে নেওয়া হচ্ছে। ফলে গোটা এশিয়াতেই স্থানীয় মুদ্রা এখন দুর্বল চীনের ইউয়ান, জাপানের ইয়েন সব কটিরই পতন ঘটছে। বাংলানিউজ ২৪ 

  • সর্বশেষ