শিরোনাম

প্রকাশিত : ৩০ জুন, ২০২২, ০১:১৮ দুপুর
আপডেট : ৩০ জুন, ২০২২, ০২:১৩ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

ফিনল্যান্ড-সুইডেনে ন্যাটো সেনা পাঠালে জবাব দেবে রাশিয়া: পুতিন

রাশিদুল ইসলাম : ইউক্রেনে হামলার পর এই প্রথম রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন ওই যুদ্ধ সম্পর্কে  বলেছেন, ইউক্রেনে রাশিয়ার ‘বিশেষ সামরিক অভিযানের’ লক্ষ্য এখনো অপরিবর্তিত রয়েছে। এ অভিযানের লক্ষ্য ছিল ইউক্রেনের পূর্বাঞ্চলীয় দনবাস এলাকাকে স্বাধীন করা এবং রাশিয়ার নিরাপত্তা নিশ্চিতের শর্ত তৈরি করা। রুশ বাহিনী ইউক্রেনে অগ্রগতি অর্জন করছে। আমাদের বাহিনী পরিকল্পনা মতোই এগিয়ে যাচ্ছে।’ তিনি বলেন, এই অভিযান কবে শেষ হবে তার কোনো দিনক্ষণ ঠিক করার কোনো দরকার নেই।

বুধবার তুর্কমেনিস্তানের আশগাবাতে এক সংবাদ সম্মেলনে রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন এসব কথা বলেছেন। তিনি বলেন, পশ্চিমা সামরিক জোট ন্যাটো যদি ফিনল্যান্ড ও সুইডেনে কোনো সেনা মোতায়েন এবং সেনাসংক্রান্ত অবকাঠামো নির্মাণ করে, তাহলে এর জবাব রাশিয়া দেবে। দেশ দুটি মার্কিন নেতৃত্বাধীন সামরিক জোটটিতে অন্তর্ভুক্ত হওয়ার আমন্ত্রণ পাওয়ার পর এ হুঁশিয়ারি দিলেন পুতিন।

পুতিন বলেন, ‘ইউক্রেনের সঙ্গে আমাদের যে সমস্যা, তা ফিনল্যান্ড ও সুইডেনের সঙ্গে নেই। তারা ন্যাটোতে যোগ দিতে চাইলে দিতে পারে। তবে তাদের অবশ্যই বুঝতে হবে যে আগে কোনো হুমকি ছিল না, এখন যদি সেখানে সামরিক দল এবং অবকাঠামো মোতায়েন করা হয়, তবে আমাদের প্রতিক্রিয়া জানাতে হবে। যে অঞ্চলগুলো থেকে আমাদের প্রতি হুমকি তৈরি করা হয়েছে, তাদের জন্য একই হুমকি তৈরি করতে হবে।’

রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট পুতিন বলেন, ন্যাটোতে যোগ দেওয়ার পর ফিনল্যান্ড ও সুইডেনের সঙ্গে মস্কোর সম্পর্ক খারাপ হওয়া এড়ানো যাবে না। আমাদের মধ্যে সবকিছু ঠিকঠাক ছিল, কিন্তু এখন কিছু উত্তেজনা থাকতে পারে, অবশ্যই থাকবে। আমাদের জন্য হুমকি থাকলে তা অনিবার্য।

পুতিন বলেন, আমি সময়সীমার কথা বলছি না, আমি কখনই করি না, কারণ এটাই জীবন, এটাই বাস্তবতা। সময়সীমা আরোপ করা ভুল, কারণ এটি যুদ্ধের তীব্রতার সাথে সম্পর্কিত, এবং তীব্রতা সরাসরি সম্ভাব্য হতাহতের সাথে যুক্ত। এবং আমাদের প্রথমে এবং সর্বাগ্রে আমাদের ছেলেদের জীবন রক্ষার কথা ভাবতে হবে। 

ন্যাটো মহাসচিবের স্বীকারোক্তির বিষয়ে মন্তব্য করে যে ব্লকটি ২০১৪ সাল থেকে সংঘাতের জন্য প্রস্তুত হচ্ছে, পুতিন বলেছিলেন যে এটি মস্কোর জন্য ‘নতুন কিছু নয়’। তিনি যোগ করেছেন যে, ওয়াশিংটনের চারপাশে মিত্রদের সমাবেশ করার জন্য মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র একটি বহিরাগত শত্রুর সন্ধান করছে এবং ইরানের চেয়ে রাশিয়া এই ভূমিকার জন্য উপযুক্ত ছিল।

  • সর্বশেষ