শিরোনাম

প্রকাশিত : ২৪ জুন, ২০২২, ০২:০১ দুপুর
আপডেট : ২৪ জুন, ২০২২, ০২:০১ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

ভূমিকম্পোত্তর আফগানিস্তানে খাদ্য ও আশ্রয় সংকটের সঙ্গে যুক্ত হলো কলেরার ভয়

আফগানিস্তান

ইমরুল শাহেদ: গত দুই দশকের মধ্যে ভয়াবহ ভূমিকম্প থেকে বেঁচে থাকারা বলছেন, তাদের কাছে খাবার নেই, নেই আশ্রয়। এছাড়া তাদের কাছে বড় ভয় হলো সম্ভাব্য কলেরার প্রাদুর্ভাব। 

আগা জান নামের একজন ধ্বংসস্তুপের সামনে অশ্রুসিক্ত নির্বাক বসে আছেন। তিনি এক জোড়া জুতোর ময়লা পরিস্কার করতে করতে বলেন, ‘এই জুতো আমার ছেলের।’ তার তিন তরুণ সন্তান এবং দুই স্ত্রী ধ্বংসস্তুপের নিচে পড়ে মারা গেছেন। তারা তখন ঘুমিয়ে ছিলেন। 

বুধবার রাতে ভূমিকম্প শুরু হওয়ার পর তিনি ঘরের দিকে ছুটে যান। কিন্তু কারো কাছে পৌঁছাতে পারেননি। আগা জানের বাড়ির আশপাশের সব গ্রামের একই চিত্র। এই ভূমিকম্পে সহস্রাধিক মানুষ নিহত হয়েছে এবং আহত হয়েছে তিন হাজার।   

পাততিকার উক্ত গ্রামটি থেকে শহরে যেতে তিন ঘন্টার পথ। ভূমিকম্পের কারণে সব রাস্তাই অচল হয়ে পড়েছে। এখান থেকে আহত কাউকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া যাচ্ছে না। তালিবানদের হেলিকপ্টারে করে কিছু লোককে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। 

আফগানিস্তানের গ্রামাঞ্চলের বেশির ভাগ ঘরবাড়িই মাটি ও পাথরে তৈরি। বাড়িগুলোর বেশির ভাগই ধ্বংস হয়ে গেছে। প্রত্যেকেই আত্মীয়-স্বজন হারিয়েছে। এটা হলো পাততিকা ও নানগারহার প্রদেশের চার জেলার প্রকৃত চিত্র। 

আফগান সরকার ও আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় এখন ক্ষয়-ক্ষতির হিসাব নিকাশ করছে। সে অনুসারে সরবরাহের চেষ্টা করছে। এটাই হলো বড় ধরনের সংকট এবং উত্তরোত্তর এই সংকট বাড়ছেই। আফগানিস্তানে যেসব সংকট রয়েছে, ভূমিকম্প তার মধ্যে সবচেয়ে ভয়াবহ। জাতিসংঘও কলেরার প্রাদুর্ভাব নিয়ে সতর্ক করে দিয়েছে।  

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়