Skip to main content

হোসেনদি অর্থনৈতিক অঞ্চলকে প্রাথমিক সনদ দিলো বেজা

Article Highlights

বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষ (বেজা) হোসেন্দী ইকোনমিক জোনকে প্রাক-যোগ্যতাপত্র দিয়েছে। মুন্সিগঞ্জ জেলার গজারিয়া উপজেলার হোসেন্দী ইউনিয়নের ১০৮ একর জমির উপর হোসেন্দী ইকোনমিক জোন গড়ে তোলা হচ্ছে। সম্ভাব্যতা যাচাই শেষে চূড়ান্ত লাইসেন্স প্রদান করা হবে। এ অর্থনৈতিক অঞ্চল প্রতিষ্ঠায় প্রাথমিকভাবে ১০ হাজার কোটি টাকা বিনিয়োগ করা হবে। 

বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষ (বেজা) হোসেন্দী ইকোনমিক জোনকে প্রাক-যোগ্যতাপত্র দিয়েছে। মুন্সিগঞ্জ জেলার গজারিয়া উপজেলার হোসেন্দী ইউনিয়নের ১০৮ একর জমির উপর হোসেন্দী ইকোনমিক জোন গড়ে তোলা হচ্ছে। সম্ভাব্যতা যাচাই শেষে চূড়ান্ত লাইসেন্স প্রদান করা হবে। এ অর্থনৈতিক অঞ্চল প্রতিষ্ঠায় প্রাথমিকভাবে ১০ হাজার কোটি টাকা বিনিয়োগ করা হবে। 

সোমবার বেজার সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে হোসেন্দী ইকোনমিক জোন স্থাপনের প্রাক-যোগ্যতাপত্র প্রদান করে বেজা। বেজার নির্বাহী চেয়ারম্যান পবন চৌধুরী সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন সিটি  ইকোনমিক জোনের চেয়ারম্যান ফজলুর রহমান, হোসেন্দী ইকোনমিক জোনের চেয়ারম্যান ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক শম্পা রহমানসহ বেজার কর্মকর্তা।

অনুষ্ঠানে পবন চৌধুরী  সিটি গ্রুপকে অভিনন্দন জানিয়ে বলেন, অর্থনৈতিক অঞ্চল  উন্নয়নের জন্য দেশি-বিদেশি বিনিয়োগকারীদের ব্যাপক সাড়া পাওয়া যাচ্ছে। ইতিমধ্যে ৭ টি বেসরকারি  অর্থনৈতিক অঞ্চলের  লাইসেন্স প্রদান করা হয়েছে। বেজার আওতায় স্থাপিত ভূমি ব্যাংক থেকে বিনিয়োগকারীগণ তাদের পছন্দ মাফিক ভূমি সহজে বরাদ্দ নিয়ে শিল্প কারখানা স্থাপন করতে পারছেন। তিনি আরও জানান, বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করার জন্য অর্থনৈতিক অঞ্চলসমূহে ইউনিট ইনভেস্টরদের গ্যাস, বিদ্যুৎ ও পানিসহ সব ধরনের ইউটিলিটি সুবিধা প্রদানের জন্য সরকারি বিভিন্ন সংস্থা কাজ করছে।

হোসেন্দী ইকোনমিক জোনের চেয়ারম্যান শম্পা রহমান বলেন, আমাদের শীপ বিল্ডিং ইন্ডাস্ট্রিস সহ বিভিন্ন শিল্প প্রতিষ্ঠান স্থাপনের অভিজ্ঞতা রয়েছে। এই ইকোনমিক জোনে  সিমেন্ট, সল্ট এন্ড কেমিক্যালস, শীপ বিল্ডিং এবং সিরামিক পণ্য খাতে বিনিয়োগের পরিকল্পনা রয়েছে। এ লক্ষ্যকে সামনে রেখে টেকসই ও পরিবেশবান্ধব শিল্প করখানা গড়ে তুলতে উদ্যোক্তারা এ পরিকল্পনা করছেন। তিনি জানান, ঢাকা- চট্টগ্রাম মহাসড়কের অদূরে মুন্সিগঞ্জ জেলার গজারিয়া উপজেলায় প্রাথমিকভাবে ১০৮ একর জমিতে এ অর্থনৈতিক অঞ্চলটি স্থাপন করা হবে। ভবিষ্যতে এই ইকোনমিক জোন ১৫০ একরে উন্নিত করা হবে। উদ্যোক্তারা এখানে ১০টি শিল্প ইউনিট স্থাপনের পরিকল্পনা করছেন। সিমেন্ট, সল্ট এন্ড কেমিক্যালস, সিরামিক পণ্য, শীপ বিল্ডিং ইন্ডাস্ট্রিজ এবং ১০০ মে.ও. ক্ষমতা সম্পন্ন পাওয়ার প্ল্যান্ট স্থাপন করা হবে এ অর্থনৈতিক অঞ্চলে। এসব শিল্প প্রতিষ্ঠানে প্রায় ১৫,০০০ মানুষের কর্মসংস্থান হবে বলে হোসেন্দী ইকোনমিক জোনের চেয়ারম্যান জানান। তিনি আরও জানান, চীন, থাইল্যান্ড ও জাপানের বিভিন্ন বিনিয়োগকারীরা ইতোমধ্যে এই অঞ্চলে  বিনিয়োগের আগ্রহ প্রকাশ করেছেন। 


 

অন্যান্য সংবাদ