Skip to main content

সুবর্ণচরে ধর্ষণ মামলার এজাহারে নেই প্রধান আসামির নাম

সুবর্ণচরের ধর্ষণের ঘটনায় জড়িত দলীয় পরিচয়বহনকারী সেই প্রধান আসামির নাম নেই। বাদীপক্ষ এ ব্যাপারে পুলিশকে দায়ী করলেও পুলিশ তা অস্বীকার করেছে। (সূত্র : বিবিসি বাংলা)

এ বিষয়ে নোয়াখালীর পুলিশ সুপার ইলিয়াস শরীফ বলেন, এজাহার আমরা লিপিবদ্ধ করি না। তা লিপিবদ্ধ করেন বাদী নিজেই। নির্যাতিত সেই গৃহবধূ সুস্থ হলে তাকে ২২ ধারায় জবানবন্দি দেয়ার জন্য কোর্টে পাঠানো হবে বলেও জানান ইলিয়াস শরীফ। তিনি বলেন, ২২ ধারায় অনেকটা ভিক্টিমের কথাই চূড়ান্ত।

নির্যাতিত সেই নারী বলেছেন, সমাজের সবাই জানে, ধর্ষণকারীরা আমার পূর্বশত্রু। একজন মেম্বারের পক্ষ না নেয়ায় তারা শত্রুতা শুরু করেছিলো। একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে শত্রুরা ভোটকেন্দ্রেই তাকে নৌকায় ভোট দিতে বলেছে, জানান ধর্ষণের শিকার হওয়া সেই নারী। এ বিষয়ে গ্রামবাসী জানায়, এক বছর আগেও নির্যাতিত সেই নারী ও তার স্বামীকে মারধর করা হয়েছিলো। এক বছর ধরে শত্রুরা ওর পেছনে লাগা।

এ বিষয়ে নোয়াখালী জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি বলেন, এই ছেলেপুটিরা আওয়ামী লীগের নেতা হতে পারে না। এদের কোনো রাজনৈতিক পরিচয় নেই। অপরাধী মানে অপরাধী। তিনি বলেন, কোনো অবস্থাতেই এদের ছাড় দেওয়া যাবে না।

তবে দলের মধ্যে এ ধরনের কঠোর মনোভাব আগে থেকেই কার্যকর থাকলে ক্ষমতার ছত্রছায়ায় থেকে এমন ঘটনা ঘটতনা বলেই মনে করেন নোয়াখালী আইনজীবী সমিতির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মোল্লা হাবিবুর রাসুল মামুন। তিনি বলেন, দল আগে থেকে এ ধরনের ঘটনার ব্যাপারে রেসিস্ট না করার কারণে তারা এ বিষয়ে উদ্বুদ্ধ হয়েছে। রাজনৈকি ছত্রছায়াকে ব্যবহার করে তারা ঘটনা ঘটিয়েছে।

অন্যান্য সংবাদ