Skip to main content

সিলেটের নতুন কারাগারের সাথে পুরাতনটিতেও বন্দী রাখা হবে বলে জানালো কর্তৃপক্ষ

Article Highlights

২২৭ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত সিলেটের আধুনিক কারাগারে শুক্রবার সকাল থেকে শুরু হয় বন্দী স্থানান্তর কার্যক্রম। কিন্তু সেখানে সংকুলান হচ্ছে না বলে পুরাতন কারাগারেও বন্দী রাখা হবে। তাই আপাতত পুরাতন কারাগার খালি করা হচ্ছে না বলে জানালেন সিনিয়র জেল সুপার আব্দুল জলিল।

২২৭ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত সিলেটের আধুনিক কারাগারে শুক্রবার সকাল থেকে শুরু হয় বন্দী স্থানান্তর কার্যক্রম। কিন্তু সেখানে সংকুলান হচ্ছে না বলে পুরাতন কারাগারেও বন্দী রাখা হবে। তাই আপাতত পুরাতন কারাগার খালি করা হচ্ছে না বলে জানালেন সিনিয়র জেল সুপার আব্দুল জলিল।

সিলেট কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে ১৫ কিলোমিটার দূরে বাদাঘাটে অবস্থিত নবনির্মিত এ কারাগারে স্থানান্তর করা হয় মোট ২হাজার ৩ শ' কারাবন্দি। এদের মধ্যে জেএমবি সদস্য, মৃত্যুদন্ডপ্রাপ্ত, নারী বন্দিসহ সাধারণ বন্দিরাও ছিলেন। কিন্তু নতুন কারাগারে বন্দী ধারণ ক্ষমতা দুই হাজার হওয়াতে সেখান থেকে কিছু বন্দী ফিরিয়ে এনে পুরাতন কারাগারে রাখা হবে বলে দাবি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের। 

এ বিষয়ে সিলেটের সিনিয়র জেল সুপার আব্দুল জলিল বলেছেন, এখনই সেরকম কিছু করার সম্ভাবনা নেই। তিনি বলেন, নতুন কারাগারে বন্দি ধারণ ক্ষমতা দুই হাজার। শুক্রবার সেখানে ২৩শ' বন্দি স্থানান্তর করা হয়েছে। ধারণক্ষমতার এই অতিরিক্ত বন্দিদের পুরনো কারাগারে নিয়ে আসা হবে। আপাতত কারা কর্তৃপক্ষের অধীনেই থাকবে পুরনো কারাগার। এতে দ্রুততম সময়ে পুরনো কারাগার সংস্কারসহ বিভিন্ন সরঞ্জামাদি দিয়ে এ কারাগারেও বন্দি রাখার ব্যবস্থা করা হবে এবং পুরাতনটিকে সিলেট কেন্দ্রীয় কারাগার-২ হিসেবে ব্যবহার করা হবে। পুরনো কারাগারের রক্ষণাবেক্ষণের জন্য প্রয়োজনীয় সংখ্যক লোকবল রেখে বাকি সকলকে নতুন কারাগারে নিয়োজিত করা হবে।

উল্লেখ্য, ১৭৮৯ সালে সিলেট শহরের কেন্দ্রস্থল ধোপাদিঘীর পাড়ে ২৪ দশমিক ৭৬ একর জমির ওপর কারাগার প্রতিষ্ঠা হয়। ১৯৯৭ সালের ৩ মার্চ এটি সিলেট কেন্দ্রীয় কারাগারে রূপান্তরিত হয়। তখন কারাগারের ধারণ ক্ষমতা দাঁড়ায় ১ হাজার ২১০ জনে। ধারণ ক্ষমতার দ্বিগুণ বন্দিদের মানবেতর জীবনযাপনের বিষয়টি বিবেচনায় এনে সিলেট নগর থেকে প্রায় ১৫ কিলোমিটার দূরে সদর উপজেলার বাদাঘাটে ৩০ একর জমির উপর নতুন কারাগার নির্মাণ করা হয়। 

তিন মাস আগে সিলেট জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে দুই শত ২৭ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত এ কারাগারের উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। আধুনিক সুযোগ সুবিধা রয়েছে এই কারাগারে। 

অন্যান্য সংবাদ