Skip to main content

শেবাচিমে বাড়ছে শিশু রোগীর সংখ্যা

তীব্র শীতে শিশুদের ঠান্ডাজনিত নিউমোনিয়া, ব্রঙ্কিউলাইটিস, শ্বাসকষ্ট, ফুঁসফুসে ও ঠান্ডাজনিত কারণে ডায়রিয়ায় আক্রান্ত হয়ে বাড়ছে শিশু রোগীর সংখ্যা। এসব রোগে আক্রান্ত হয়ে গত চারদিন ধরে প্রতিদিনই গড়ে ২০জন শিশুকে ভর্তি করা হচ্ছে বরিশাল শেরে-ই-বাংলা মেডিক্যাল কলেজ (শেবাচিম) ও জেনারেল হাসপাতালে।

এছাড়া হাসপাতালগুলোর বহিঃবিভাগ ও চিকিৎসকদের ব্যক্তিগত চেম্বারেও এ ধরনের রোগীর সংখ্যা বেড়েই চলেছে। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, গত চারদিন ধরে শীতের তীব্রতা প্রকট আকার ধারন করায় শেবাচিমে প্রতিদিন গড়ে ২০ জন শিশু আক্রান্ত হয়ে ভর্তি হচ্ছে। সরেজমিনে দেখা গেছে, শিশু ওয়ার্ডে প্রায় দেড় শতাধিক শিশু চিকিৎসা নিচ্ছে। এরমধ্যে প্রায় ২০জন শিশুই নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি রয়েছে বলে জানিয়েছে কর্তব্যরত চিকিৎসকরা। নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত শিশুদের ব্যাপারে চিকিৎসকরা বেশী সর্তকতা অবলম্বন করছেন। আক্রান্ত শিশুদের বয়স ছয় মাস থেকে এক বছরের মধ্যে।

শেবাচিম হাসপাতালের শিশু বিভাগের বিভাগীয় প্রধান ডা. অসিম কুমার সাহা জানান, শীতের তীব্রতায় শিশুদের মধ্যে নিউমোনিয়ার প্রকোপ দেখা দিয়েছে। এ রোগে আক্রান্ত হলে শিশুরা ঘণ ঘণ শ্বাস নেয়। জ্বরের সাথে খাবারে অরুচি এবং পালস্ বেড়ে যায়। এসব শিশুদের দ্রুত চিকিৎসার ব্যবস্থা করতে পারলে কোন সমস্যা হয় না। চিকিৎসা নিয়ে বিলম্ব করলে বিপদের আশংকা থাকে।

শেবাচিমের বহিঃবিভাগের আবাসিক (শিশু) চিকিৎসক ডা. ফায়জুল হক পনির জানান, শীতকালে শিশুরা বেশী রোগে আক্রান্ত হয়ে থাকে। তিনি বলেন, গত চারদিন থেকে আমার কাছে প্রতিদিন ব্রঙ্কিউলাইটিস, শ্বাসকষ্ট, ফুঁসফুসে, ভাইরাস, ডায়রিয়া ও ঠান্ডাজনিতসহ বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হয়ে প্রায় শতাধিক শিশু চিকিৎসা নিচ্ছে।

শেবাচিম হাসপাতালের আন্তঃবিভাগের শিশু ওয়ার্ডের সামনে একটি বোর্ডে ভর্তি রোগীর তথ্যে জানা গেছে, ওয়ার্ডটিতে সরকার অনুমোদিত বেড রয়েছে ৩৬টি। কিন্তু বর্তমানে ওই ওয়ার্ডে ভর্তি রোগীর সংখ্যা ১০৫ জন।