Skip to main content

বেসরকারি ব্যাংকগুলো ঋণ বিতরণে এখনও চড়া সুদ তুলছে

Article Highlights

প্রতিবেদন অনুযায়ী, ১০ শতাংশের উপরে সুদহার রেখেছে ২৮টি ব্যাংক। আর ৯ শতাংশের উপরের সুদহার এমন ব্যাংকের সংখ্যা ১২টি।

সরকারের নির্দেশ মানছে না বেসরকারি ব্যাংকগুলো। সরকার গত বছর ব্যাংকের ঋণ বিতরণে সুদ নিয়ন্ত্রণ করে দিয়েছে ৯ শতাংশ। কিন্তু সেই বিষয়ে বেসরকারি ব্যাংকগুলোর কোন নজর নেই। তাদের ইচ্ছা মত এখনো সুদ নিচ্ছে বেসরকারি ব্যাংকগুলো। তবে এরই মধ্যে সরকারি ব্যাংকগুলো সরকারের দেয়া নির্দেশ মেনে ৯ শতাংশে সুদে ঋণ বিতরণ কার্যক্রম শুরু করে দিয়েছে।

চলতি অর্থবছরের প্রথম থেকে বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর ৯ শতাংশ সুদে ঋণ বিতরণ করার কথা থাকলেও তা এখনও বাস্তবায়ন হয়নি। বাংলাদেশ ব্যাংকের হালনাগাদ প্রতিবেদন অনুযায়ী, ৩৭টি ব্যাংক এখনো চড়া সুদ তুলছে। এতে করে সুদহার কমানোর নামে জনগণকে ধোঁকা দেওয়া হয়েছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, ১০ শতাংশের উপরে সুদহার রেখেছে ২৮টি ব্যাংক। আর ৯ শতাংশের উপরের সুদহার এমন ব্যাংকের সংখ্যা ১২টি।

তথ্য মতে,  বেসরকারি খাতের এবি ব্যাংক ঋণ বিতরণ করছে ১১ দশমিক ৩০ শতাংশ হারে, দি সিটি ব্যাংক ১০ দশমিক ১৬ শতাংশ, আইসিবি ব্যাংক ১০ দশমিক ৩৩ শতাংশ, সীমান্ত ব্যাংক ১১ দশমিক ৫৫ শতাংশ, ইস্টার্ন ব্যাংক ১০ দশমিক ১৫ শতাংশ এবং এনসিসি ব্যাংক ১০ দশমিক ৪০ শতাংশ হারে সুদ নিচ্ছে এখন।

ঢাকা ব্যাংকের ঋণের সুদহার ১০ দশমিক ৫০ শতাংশ, সোস্যাল ইসলামী ব্যাংক ১০ দশমিক ৭০ শতাংশ, ডাচ-বাংলা ব্যাংক ১০ শতাংশ, স্ট্যান্ডার্ড ব্যাংকের সুদহার ১০ দশমিক ৫৩ শতাংশ, ওয়ান ব্যাংক ১১ দশমিক ২৮ শতাংশ, মিউচ্যুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংক ১০ দশমিক ৩৩ শতাংশ, প্রিমিয়ার ব্যাংক ১১ দশমিক ৩১ শতাংশ, ফার্স্ট সিকিউরিটি ব্যাংকের বিতরণ করা ঋণের সুদহার ১১ দশমিক ৫১, ব্যাংক এশিয়া ১০ শতাংশ, শাহজালাল ইসলামী ব্যাংক ১০ দশমিক ৬৪ শতাংশ, যমুনা ব্যাংকের ১০ দশমিক ১২ দশমিক ২৯ শতাংশ, এনআরবি কমার্শিয়াল ব্যাংক ১২ দশমিক ৮৯ শতাংশ, সাউথ বাংলা এগ্রিকালচারাল ব্যাংক ১১ দশমিক ৮৬ শতাংশ, মেঘনা ব্যংক ১১ দশমিক ৯৪ শতাংশ, মিডল্যান্ড ব্যাংক ১২ দশমিক ১ শতাংশ, ফারমার্স ব্যাংক ১২ দশমিক ৩৮ শতাংশ, ইউনিয়ন ব্যাংক ১২ দশমিক ১৪ শতাংশ, এনআরবি ব্যাংক ১২ দশমিক ১৪ শতাংশ, এনআরবি গ্লোবাল ব্যাংক ১৩ দশমিক ৭৭ শতাংশ, মধুমতি ব্যাংক ১২ দশমিক ৪৬ শতাংশ এবং এক্সিম ব্যাংকের বিতরণ ঋণের সুদহার ১০ দশমিক ৬৩ শতাংশ।

উল্লেখ্য, ২০১৮ সালের ১ এপ্রিল অর্থমন্ত্রী, গভর্নর ও অ্যাসোসিয়েশন অব ব্যাংকারস বাংলাদেশ (এবিবি) এর এক আলোচনা সভায় কমানো হয় নগদ জমা সংরক্ষণের (সিআরআর) হার। পাশাপাশি সরকারি প্রতিষ্ঠানের আমানত  বেসরকারি ব্যাংকে ২৫ শতাংশের পরিবর্তে বাড়িয়ে ৫০ শতাংশ করা হয়। এতে ৯ শতাংশ সুদে ঋণ দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেন ব্যাংকাররা।
 

অন্যান্য সংবাদ