Skip to main content

বিপিএল দিয়ে নিজেকে ফিরে পাচ্ছেন তাসকিন

বাংলাদেশ দলে গতিময় পেসারের অভাব ছিল সেই শুরু থেকেই। তবে তাসকিন আহমেদের আগমনের পর মনে হয়েছিল সেই অভাবটা বোধহয় ঘুচবে। কিন্তু তাসকিনের ধার ও ভার কমে আসায় দলে নিয়মিত হতে পারেননি। শুরুর দিকে ১৪০ কি.মি. ঊর্ধ্ব গতির ফাস্ট বোলার হিসেবে বাংলাদেশ দলে এসেছিলেন তাসকিন। ক্যারিয়ারের শুরু থেকে গতি দিয়েই প্রতিপক্ষকে প্রতিহত করে আসছেন তিনি। পিঠের ইনজুরি কেড়ে নিয়েছিল তাসকিনের গতি। তবে এবারের বিপিএলে নিজের সেই পুরনো গতি ফিরে পাচ্ছেন টাইগার পেসার তাসকিন।

সদ্য শেষ হওয়া ২০১৮ সালটা একেবারেই ভালো যায়নি ২৩ বছর বয়সী এই ফাস্ট বোলারের। বছর জুড়েই ইনজুরিতে ছিলেন তিনি। দেশের পোশাকে গত বছর মাত্র দুটি টি-টোয়েন্টি খেলেছিলেন তাসকিন। ওয়ানডে কিংবা টেস্ট কিছুই খেলা হয়নি তার। ইনজুরির সাথে খেলার বাইরে থাকা, সব মিলিয়ে বলের গতি নিয়ে সমস্যায় পড়তেন তাসকিন। বর্তমানে ছন্দে আছেন এই ডানহাতি বোলার, হারানো গতিও ফিরে পাচ্ছেন ধীরে ধীরে।

‘২০১৮ সালের দিকে পেস অনেকটা কমে গিয়েছিলো পিঠের ব্যাথার কারনে। তবে এখন প্রায় ১৪০ কি.মি এর কাছাকাছি হচ্ছে আবারও। আশা করি সামনে আবার ছন্দে ফিরে আসতে পারব। এটা সম্পূর্ণ আত্মবিশ্বাসের ব্যাপার। ইনশাল্লাহ যদি সুস্থ থাকি তাহলে সামনে ভালো ইনিংস আসবে’ শুক্রবার বলেছেন তাসকিন। বছরের শেষের দিকে এসে এনসিএল এবং বিসিএল খেলেছিলেন তিনি। সেখানে বল হাতে কিছুটা সফল ছিলেন তাসকিন। বিপিএলেও বল হাতে দুর্দান্ত ছিলেন এই ফাস্ট বোলার।

সিলেট সিক্সার্সের হয়ে কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্সের বিপক্ষে প্রথম ম্যাচে কোন উইকেট না পেলেও ফিরে আসার আগাম বার্তা দিয়েছিলেন তাসকিন। ঠিক দলের দ্বিতীয় ম্যাচেই চিটাগং ভাইকিংসের বিপক্ষে বল হাতে তুলে নিয়েছেন চার উইকেট। দলের জয়ে রেখেছেন বড় অবদান।

পরিকল্পনা অনুযায়ী বল করে সফল হওয়া তাসকিন বলেন, ‘আসলে আমি চেষ্টা করেছিলাম যে রকম উইকেট ছিলো, আমাদের পরিকল্পনা ছিলো উইকেট জোরে আঘাত করে বল করা। উইকেট সোজা বোলিং করা, বৈচিত্র্যময় বোলিং করা। আমি আমার পরিকল্পনা ঠিক মতো কাজে লাগাতে পারায় হয়তো সাফল্য পেয়েছিলাম গত ম্যাচে।’

গত বুধবারের ওই ম্যাচে ডেথ ওভারেও বল হাতে দুর্দান্ত ছিলেন তাসকিন। প্রতিপক্ষের ব্যাটসম্যানদের থামাতে ইয়র্কার, স্লোয়ারে বৈচিত্র্য এনে সফল হয়েছিলেন তাসকিন। ওই ওভারগুলো তাসকিন বলেন, ‘অবশ্যই, ডেথ ওভারগুলো সবসময়ই একটু কঠিন এবং চ্যালেঞ্জিং থাকে ব্যাটসম্যান-বোলার উভয়ের জন্যই। সেই মুহূর্তে আসলে পরিকল্পনা বাস্তবায়ন ভালো করতে পারায়, ইয়র্কার ভালো ছিলো, স্লোয়ার ভালো ছিলো বলে হয়তো ঐ ওভারটি ভালো হয়েছিলো।’