Skip to main content

ফুটপাথে যারা ক্ষুদ্র ব্যবসা করে তাদের পুনর্বাসন  করে দখলমুক্ত করা প্রয়োজন

খায়রুল আলম : স্থপতি ইকবাল হাবিব বলেছেন, ওবায়দুল কাদের একজন শক্তিশালী মন্ত্রী। তিনি যেহেতু বলেছেন, সাত দিনের নোটিশ দিয়ে সড়ক-মহাসড়কের অবৈধ দখলমুক্ত করবেন, সেজন্য আমি আশাবাদী। 
এ প্রতিবেদকের সঙ্গে আলাপের সময় তিনি বলেন, ফুটপাথ ও সড়কের বিভিন্ন জায়গায় যারা দখল করে বিভিন্ন ক্ষুদ্র ব্যবসা করছে, তারা বেশিরভাগই খেটে খাওয়া মানুষ। যদিও ফুটপাথের সাথে হকারদের তেমন কোনো সম্পর্ক নেই, কিন্তু পদচারীদের সাথে তাদের সম্পর্ক রয়েছে। তারা এখান থেকে যে টাকা আয় করতে পারে, সেটি দিয়ে তার সংসার চলে। এখন তাদের উৎখাত করলে তারা বেকার হয়ে পড়বে। এটি তাদের জন্য যেমন সমস্যা তেমনি পরিবারের জন্যও সমস্যা। তাই তাদের যথাযথ পুনর্বাসনের ব্যবস্থা করা জরুরি। আমাদের দেশে বেকারের সংখ্যা অনেক বেশি। এখন যদি ফুটপাথের ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের উঠিয়ে দেয়া হয়, তাহলে বেকারের সংখ্যাও আরো বেড়ে যাবে। তাই সার্বিক বিবেচনা করে এটি সমাধান করা প্রয়োজন। আমার প্রত্যাশা থাকবে যেন তাদের সঠিক পুনর্বাসন করা হয়। কিন্তু ওবায়দুল কাদের যে অঙ্গীকার করেছেন, এটিও শুরু করা প্রয়োজন। আমরা জানি যে, ফুটপাথ ও মহাসড়কগুলো যারা দখল করে আছে, তারা কেউ প্রকৃত দখলদার নয়। হকাররা টাকার মাধ্যমে সেখানে ক্ষুদ্র ব্যবসা করে। আবার কেউ আছে সেখানে চাকরি করে মাত্র। এর পেছেনে যারা আছে, তাদের চিহ্নিত করে সমাধান করতে হবে। দখলদার নিয়ে বসেও কাজটি করা যেতে পারে। তাদেরও অঙ্গীকার করাতে হবে যেন, আর দখলে না যায়। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী, এলাকার রাজনৈতিক নেতা অথবা প্রভাবশালীরা এটির সাথে বেশি জড়িত আছে। তাই ফুটপাথ দখলমুক্ত করতে হলে তাদের সকলকে সংযুক্ত রাখার প্রয়োজন আছে। তবে দখলমুক্ত করার কার্যক্রম আগে চালু করা প্রয়োজন। ফুটপাথ বিভিন্নভাবে দখল থাকার কারণে পথচারীরা রাস্তা দিয়ে হাঁটে। যার ফলে যে কোনো সময়, যে-কোনো দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। 

অন্যান্য সংবাদ