Skip to main content

প্রশ্ন উঠছে ঝানু আমলাদের সাথে নতুন মন্ত্রীরা পেরে উঠবেন কি ?

সৌরভ নূর : প্রশ্ন উঠছে ঝানু আমলাদের সাথে নতুন মন্ত্রীরা কি পেরে উঠবেন? তারা কি কোনো কুস্তি খেলায় নামবে যে তাদের একে অপরের সাথে পেরে উঠতে হবে। আমলারা মন্ত্রীদের সহযোগিতা করবে, প্রয়োজনে অভিজ্ঞ আমলারা নতুনদের পরামর্শ দেবেন। যে কোনো মন্ত্রণালয়ের কর্মপদ্ধতিই একটা টিম ওয়ার্কের ন্যায়। সাবেক মন্ত্রিপরিষদ সচিব ও পিএসসির চেয়ারম্যান ড. সা’দত হুসাইন ৮ জানুয়ারি ডিবিসি টেলিভিশনের টকশো অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন। তিনি আরো বলেন, এবারের মন্ত্রিপরিষদে যারা এসেছেন তাদের মধ্যে তিন-চারজন ছাড়া বাকি সবারই বয়স প্রধানমন্ত্রীর তুলনায় কম। বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে বয়স একটা ব্যাপার। তত্ত্বাবধায়কের আমলে ফকরুদ্দিন আহাম্মেদ যখন প্রধান উপদেষ্টা ছিলেন, তিনি কিন্তু তার চেয়ে বয়সে বড় কাউকে উপদেষ্টা পরিষদে রাখেননি। এতে বিশেষ কিছু সুবিধা পাওয়া যাবে বলে মনে করেন অনেকেই।
আপনারা যাদের আমলা বলছেন আমি বলি নির্বাহী। নির্বাহী কর্মকর্তা বা নির্বাহী কর্মী। মন্ত্রণালয়ের গৃহীত পরিকল্পনা হাতে-কলমে বাস্তবায়ন করা যাদের কাজ। অন্যদিকে একজন মন্ত্রী রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব, তিনি সবকিছুই রাজনৈতিক দৃষ্টিকোণ দিয়ে দেখেন। তিনি নির্দেশ প্রদান ও পরিকল্পনা গ্রহণের ক্ষমতা রাখেন। আরেকটা বিষয় পরিষ্কার হওয়া দরকার মন্ত্রণালয়ের কাজ শুধু উন্নয়ন করা নয়, উক্ত মন্ত্রণালয়ের অধীনে থাকা সার্বিক ব্যবস্থাপনাকে নিয়ন্ত্রণ করা। এই সাবেক মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, মন্ত্রিত্বের অন্যতম একটি বড় সম্বল হলো তার আচরণ। সেই বৈশিষ্ট্যের জোরেই একজন মন্ত্রী চাইলে দুই থেকে তিন মাসের মধ্যে সচিবদের সাথে সমন্বয় করে নিতে পারেন এবং তাকেই ভেবে বের করতে হবে কীভাবে সবার সহযোগিতা আদায় করে নেবেন। তা না করে যদি তিনি অধীনস্তদের হুমকি-ধমকি করতে থাকেন বরং তারা বিগড়ে যাবে। তখনই সৃষ্টি হয় সমন্বয়হীনতা। ফলে তৈরি হয় বিভিন্ন অনিয়মের।