Skip to main content

নাঈমুল ইসলাম খান বললেন, বিএনপি কেন সংসদে গিয়ে কথা বলার সুযোগটি হাত ছাড়া করবে?

Article Highlights

গত এক বছর কৌশলে বিএনপি অলমোস্ট কোনো ভুল করেনি। এই ভুল না হওয়ার জন্য ঐক্যফ্রন্টের সাথে যুক্ত হয়েছে এবং বিএনপিকে তারা নির্বাচনে আসতে উৎসাহিত করেছে। চরম বৈরিতা দেখলেও নির্বাচন করার সাহসিকতা দেখিয়েছে। এখন তাদের সাহস দেখাতে হবে সংসদে যাওয়ার এবং অন্যান্য আন্দোলন পরিচালনা করার।

দৈনিক আমাদের নতুন সময়-এর সম্পাদক নাঈমুল ইসলাম খান বলেছেন, আমি মনে করি, বিএনপিকে আন্দোলনের অংশ হিসেবে সংসদে গিয়ে কথা বলা উচিত এবং সংসদের বাইরে দলীয় কর্মসূচি পালন এবং নির্বাচনের বৈধতা নিয়ে আপত্তি থাকলে আদালতে যাওয়া উচিত। এই তিনটি প্লাটফর্মই কাজে লাগাতে পারে তারা। গতকাল রাতে যমুনা টেলিভিশনের ‘২৪ ঘণ্টা’ টকশোতে তিনি এসব কথা বলেন। 

তিনি বলেন, গত এক বছর কৌশলে বিএনপি অলমোস্ট কোনো ভুল করেনি। এই ভুল না হওয়ার জন্য ঐক্যফ্রন্টের সাথে যুক্ত হয়েছে এবং বিএনপিকে তারা নির্বাচনে আসতে উৎসাহিত করেছে। চরম বৈরিতা দেখলেও নির্বাচন করার সাহসিকতা দেখিয়েছে। এখন তাদের সাহস দেখাতে হবে সংসদে যাওয়ার এবং অন্যান্য আন্দোলন পরিচালনা করার।

নাঈমুল ইসলাম খান বলেন, বিরোধী দল হিসেবে বিএনপি-জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের সংসদে আসার সুযোগ রয়ে গেছে। কারণ সংসদে আসার বিষয়টি রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত হবে। যার জন্য একটি কমফোর্ট জোনে পৌঁছাতে হবে। তার জন্য আওয়ামী লীগকেও প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে সাহায্য করতে হবে। 

তিনি বলেন, তারা সংসদে গেলে আন্দোলন করতে পারছেন না,বিষয়টি তা নয়। বরং সংসদ একটি এডিশনাল প্লাটফর্ম দেয়, সেটি তারা কেন ছেড়ে দেবেন। তারা বিরোধী দল হিসেবে সমালোচনা করবে এটাই তো রাজনীতি।  

তিনি আরো বলেন, নির্বাচনের ভালো-মন্দ নিয়ে এই মুহূর্তে কোনো মন্তব্য করবো না। কিন্তু বিএনপির প্রকাশ্য আপত্তি আছে নির্বাচনটি নিয়ে। এ জন্য তারা যদি কোর্টেও যায়, এতে কোনো বাধা থাকছে না। বিএনপি- ঐক্যফ্রন্ট থেকে যে কয়জন বিজয়ী হয়েছেন তারা সংসদের যাবেন। যাদের ভোটে নির্বাচিত হয়েছেন, তারা তো ভোট দিয়েছেন সংসদে যাবার জন্য। 

নাঈমুল ইসলাম খান বলেন, দেশে ভালো একটি নির্বাচন ব্যবস্থার জন্য তাদেরকে রাজনীতির মাঠে সক্রিয় থেকেই করতে হবে। এর জন্য সংসদের ভেতরে থাকলে এটি একটি এডিশনাল ফোরাম হবে, কথা বলার জন্য। এই সুযোগটা তারা কেন হাত ছাড়া করবে। এই ধরনের বিষয় আমাদের আওয়ামী লীগ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছ থেকে শিখতে হবে। শেখ হাসিনাও ২১ বছর মর্মপীড়া নিয়ে ধৈর্য ধরে অসম্ভব বৈরিতার মধ্যেও রাজনীতি করেছেন। তিনি দেশে ফিরে আসার পর তার নিজের বাড়িতেও ঢুকতে দেয়া হয়নি। রাজনীতি এমন অনেক পরিবেশ ও পরিস্থিতিতে নিয়ে যায়।  সম্পাদনা : আনিস রহমান
 

অন্যান্য সংবাদ