Skip to main content

ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন বা‌তিলের সম্ভাবনা নেই : আইনমন্ত্রী

Article Highlights

আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী আনিসুল হক বলেছেন, ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন বা‌তিল হওয়ার কোনো সম্ভবনা নেই। আমরা দেখবো এ আইনের কোনো অপব্যবহার বা এফিউজ না হয়, কোনো মিসইউজ না হয়। 

আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী আনিসুল হক বলেছেন, ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন বা‌তিল হওয়ার কোনো সম্ভবনা নেই। আমরা দেখবো এ আইনের কোনো অপব্যবহার বা এফিউজ না হয়, কোনো মিসইউজ না হয়। 

ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের অপব্যবহার বন্ধে সরকার সতর্ক থাকবে জানিয়ে আইনমন্ত্রী বলেন, ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের যেন কোনো অপব্যবহার না হয়, সেদিকে দৃষ্টি থাকবে আমাদের। লক্ষ্য রাখতে হবে- এই আইনের যে কোনো মিসইউজ না হয়।

সকালে ঢাকা থেকে হেলিকপ্টারযোগে টুঙ্গিপাড়া পৌঁছেন অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল এবং আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রী অ্যাডভোকেট আনিসুল হক। তারা এ সময় বঙ্গবন্ধুর সমাধিতে ফুল দেন। বঙ্গবন্ধুর আত্মার মাগফিরাত কামনায় তারা ফাতেহা পাঠ করেন এবং দোয়া-মোনাজাতে অংশ নেন।

আর নতুন অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল বলেছেন, চলতি অর্থ বছরে ৮.৩ শতাংশ জিডিপি অর্জন করা সম্ভব হবে। যা আমাদের জন্য শ্রেষ্ঠ অর্জন বলে আমি মনে করি।

বঙ্গবন্ধুর স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস উপলক্ষে বৃহস্পতিবার (১০ জানুয়ারি) সকাল সাড়ে ১০টায় গোপালগঞ্জের টুঙ্গীপাড়ায় জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সমাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে ওই দুই মন্ত্রী এসব কথা বলেন।

আইনমন্ত্রী আনিসুল হক আরো বলেন, দেশ স্বাধীন হওয়ার পরেও দেশের মানুষ যতটা খুশি না হয়েছিল; ১৯৭২ সালের ১০ জানুয়ারি বঙ্গবন্ধু দেশে ফিরলে দেশের মানুষ তার চেয়ে বেশি খুশি হয়েছিল। আজ সেই দিনে আমরা বঙ্গবন্ধুকে শ্রদ্ধা জানাতে টুঙ্গীপাড়ায় তার সমাধিতে এসেছি। বঙ্গবন্ধুর সমাধিতে শ্রদ্ধা জানানোর মধ্য দিয়ে আমরা আমাদের দায়িত্ব পালন শুরু করতে চাই।

এদিকে, অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল বলেন, বিশ্বব্যাংক আমাদের কখনও সাড়ে ৬ ভাগের বেশি প্রবৃদ্ধি হবে বলতো না। এবার বিশ্বব্যাংক বলেছে আমাদের ৭ ভাগের ওপরে প্রবৃদ্ধি হবে। আমার ধারণা, চলতি অর্থ বছরে আমাদের প্রবৃদ্ধি ৮.২৫ থেকে ৮.৩০ শতাংশ জিডিপি অর্জন করা সম্ভব হবে। 

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বেসরকারি খাত উন্নয়ন বিষয়ক উপদেষ্টা সালমান এফ রহমান বলেন, আমার নতুন একটি যাত্রা শুরু হয়েছে। সেজন্য আমি প্রথমে এখানে এসে বঙ্গবন্ধুকে শ্রদ্ধা জানালাম। আমি মনে করি, শেখ হাসিনা যেভাবে দেশকে এগিয়ে নিয়ে এসেছেন, ভবিষ্যতে আমরা যারা নতুন সরকারে এসেছি তারা দেশটাকে সামনের দিকে এগিয়ে নিতে সক্ষম হবো।

এর আগে সকাল সাড়ে ১০টায় হেলিকপ্টারে করে টুঙ্গীপাড়ায় পৌঁছে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুর সমাধিসৌধের বেদিতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন তারা। পরে তারা বঙ্গবন্ধু ও তার পরিবারের নিহত সদস্যদের রুহের মাগফেরাত কামনা করে ফাতেহা পাঠ ও বিশেষ মোনাজাত করেন। 

এ সময় টুঙ্গীপাড়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আবুল বাশার খায়ের, টুঙ্গীপাড়া উপজেলার সাবেক চেয়ারম্যান সোলায়মান বিশ্বাস, পৌরসভার সাবেক মেয়র সরদার ইলিয়াস হোসেন,জেলা পরিষদ সদস্য ইমদাদুল হক বিশ্বাস, পাটগাতী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি বাবুল হোসেনসহ দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

প্রসঙ্গত, পূর্বনির্ধারিত কর্মসূচির কারণে গতকাল মন্ত্রিসভার সদস্যদের সঙ্গে এ দুই মন্ত্রী টু্ঙ্গিপাড়া যেতে পারেননি। মন্ত্রিসভার সদস্যরা গতকাল বাসযোগে টুঙ্গিপাড়া গিয়ে বঙ্গবন্ধুর সমাধিতে শ্রদ্ধা জানান।