Skip to main content

চলতি অর্থবছরের প্রথম ৬ মাসেই বেড়েছে রেমিটেন্স প্রবাহ

Article Highlights

চলতি অর্থবছরের প্রথম ৬ মাসেই রেমিটেন্স আয় হয়েছে প্রায় সাড়ে ৭ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। ব্যাংকাররা বলছেন, ডলারের দাম বাড়ার কারণে বৈধ চ্যানেলে রেমিটেন্স পাঠানোর হার বৃদ্ধি পেয়েছে এবং এই আয় বাড়ছে। বৈধ চ্যানেলের রেমিটেন্স পাঠাতে উৎসাহিত করতে ব্যাংকারদের নতুন নতুন ব্যাংকিং পণ্য নিয়ে প্রবাসীদের কাছে যাওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা। বাংলাদেশি মিশনগুলোর তৎপরতা বাড়ানো গেলে রেমিটেন্স আয় আরোও বাড়ানোও সম্ভব বলে মনে করেন তারা।

চলতি অর্থবছরের প্রথম ৬ মাসেই রেমিটেন্স আয় হয়েছে প্রায় সাড়ে ৭ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। ব্যাংকাররা বলছেন, ডলারের দাম বাড়ার কারণে বৈধ চ্যানেলে রেমিটেন্স পাঠানোর হার বৃদ্ধি পেয়েছে এবং এই আয় বাড়ছে। বৈধ চ্যানেলের রেমিটেন্স পাঠাতে উৎসাহিত করতে ব্যাংকারদের নতুন নতুন ব্যাংকিং পণ্য নিয়ে প্রবাসীদের কাছে যাওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা। বাংলাদেশি মিশনগুলোর তৎপরতা বাড়ানো গেলে রেমিটেন্স আয় আরোও বাড়ানোও সম্ভব বলে মনে করেন তারা। সূত্র : ডিবিসি টেলিভিশন

বাংলাদেশি অভিবাসি মহিলা শ্রমিক অ্যাসোসিয়েশন পরিচালক সুমাইয়া ইসলাম বলেন, বিদেশ পাঠানোর নামে, রিক্রুটিং এজেন্সিগুলো মানুষকে প্রতারিত করছে। যদি এগুলো বন্ধ করা যায় তাহলে  রেমিটেন্সের বিষয়টা আয়ত্তে আনা যাবে।

শ্রমশক্তি রপ্তানির সঙ্গে জড়িতরা বলছেন, যেহারে প্রবাসির সংখ্যা বাড়ছে সেই হারে বৈধ চ্যানেলে  রেমিটেন্স দেশে আসছে না। হুন্ডি ব্যবসা প্রতিরোধে দেশের সবগুলো ব্যাংককে একযোগে কাজ করার তাগিদও দিলেন বিএমইটি’র এই কর্মকর্তা।
চলতি অর্থবছরে রেমিটেন্স আসা শীর্ষ দেশগুলোর মধ্যে ৬টিই মধ্যপ্রাচ্যের। বৈধ পথে রেমিটেন্স বাড়াতে এসব দেশে ব্যাংকগুলোর তৎপরতা বাড়ানো কোনও বিকল্প নেই।

বাংলাদেশ ব্যাংক মুখপাত্র সিরাজুল ইসলাম বলেন, প্রত্যেকটা ব্যাংক তাদের নিজেদের মাধ্যমেই ব্যবস্থা নিতে হবে। তাহলে আমদানি করার জন্য যখন ডলার প্রয়োজন হবে তখন আর কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কাছে আর দ্বারস্থ হতে হবে না।

রূপালী ব্যাংক মহাব্যবস্থাপক গোলাম মর্তুজা বলেন, সৌদি আরবসহ অন্যান্য দেশে আমরা একটু গ্রাউন্ড লেভেলে কাজ করবো। টাকা পাঠাতে কেনো অসুবিধা হচ্ছে এবিষয়ে তাদের সালে আলোচনা করবো এবং এর সহজ সমাধানের ব্যবস্থা  নেবো।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নির্দেশনা মেনে ব্যাংকগুলোও উদ্যোগী হচ্ছে প্রবাসিদের দোরগোড়ায় সেবা  পৌছাতে। রেমিটেন্স আহরণ ও বিতরণেই ব্যাংকের সেবা সীমাবদ্ধ না রেখে প্রবাসিদের সঙ্গে দীর্ঘ  মেয়াদি ব্যাংকিং সম্পর্ক স্থাপন করা গেলে রেমিটেন্স আয়ের প্রবৃদ্ধি আরও বাড়বে বলেও মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।