Skip to main content

গ্রাম হবে শহর, কিন্তু কংক্রিটের অনাকাঙ্ক্ষিত নগরীতে পরিণত করবো না গ্রামকে : গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রী

Article Highlights

গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম বলেছেন, গ্রামের জন্য প্রয়োজনীয় যে স্থাপত্য উন্নয়ন, অবকাঠামোগত উন্নয়ন ও নগরের সুবিধা দরকার সে পরিকল্পনা আমাদের আছে। কংক্রিটের অনাকাক্সিক্ষত নগরীতে পরিণত করবো না গ্রামকে। চ্যানেল আই ‘আইন থেকে গৃহায়ন’ অনুষ্ঠানে তিনি আরো বলেন, ট্যাক্সের টাকা গ্রামের অসহায় দরিদ্র কৃষক-শ্রমিকও দেয়, কিন্তু নাগরিক সুবিধা শহরের নাগরিকরাই বেশি ভোগ করে। প্রধানমন্ত্রীর স্বপ্ন গ্রামের মানুষকে নগরের সুবিধা দিতে হবে। 

গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম বলেছেন, গ্রামের জন্য প্রয়োজনীয় যে স্থাপত্য উন্নয়ন, অবকাঠামোগত উন্নয়ন ও নগরের সুবিধা দরকার সে পরিকল্পনা আমাদের আছে। কংক্রিটের অনাকাঙ্ক্ষিত নগরীতে পরিণত করবো না গ্রামকে। চ্যানেল আই ‘আইন থেকে গৃহায়ন’ অনুষ্ঠানে তিনি আরো বলেন, ট্যাক্সের টাকা গ্রামের অসহায় দরিদ্র কৃষক-শ্রমিকও দেয়, কিন্তু নাগরিক সুবিধা শহরের নাগরিকরাই বেশি ভোগ করে। প্রধানমন্ত্রীর স্বপ্ন গ্রামের মানুষকে নগরের সুবিধা দিতে হবে। 

৫ বছর পর সনাতনী গ্রামের পরিবর্তে আধুনিক গ্রাম দেখা যাবে বলে আশা প্রকাশ করেন মন্ত্রী। তিনি বলেন, যেখানে অসহায় মানুষকে টিনের নিচে, কাঠের নিচে বা ছাউনির নিচে থাকতে হবে না। সে একটি নিশ্চিত আবাসন পাচ্ছে। যেটা তার রাষ্ট্রীয় সাংবিধানিক অধিকার।

মন্ত্রী বলেন, নিজের প্রতিষ্ঠার জন্য সবাই শহরমুখী। যদি গ্রামে সেই স্থাপত্য আনতে পারি, অন্যান্য সুযোগ সুবিধাও দিতে পারি, তাহলে তারা ওখানে থাকতে পারবে। যেমন চীনে একজন কৃষকের পাকা বিল্ডিং আছে, রাস্তা আছে। তবে সেটি হতে হবে পরিকল্পিত। প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, ডেল্টা প্ল্যানের কথা। ১০০ বছরের প্ল্যান। সেটাকে সামনে রেখেই ৫ বছর করে আমরা বিন্যাস করেছি।

মন্ত্রী আরো বলেন, আমি অত্যন্ত সাধারণ পরিবার থেকে এসেছি। আমি জানি কষ্টের প্রহর কেমন, দারিদ্রতা কেমন জানি, বিত্ত-বৈভবে যারা ফুলে ফেঁপে উঠেছে তাদের বিশাল অট্টালিকাও আমি দেখতে পাই। কাজেই আমার সমন্বয়ের জায়গাটা একেবারে হৃদয় থেকে হবে। আমার সবচেয়ে বড় সাহস বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনা। তিনি বলেছেন, একজন মানুষও যেনো অসহায় না থাকে খাদ্যে, বস্ত্রে এবং আবাসন ব্যবস্থায়। সেটির জন্য তিনি বলেছেন, যত মেগা প্রজেক্ট লাগে লাগুক, তিনি দেবেন। প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, সদিচ্ছা আর সততা যদি থাকে, তাহলে কিছুই লাগে না। 

এত বড়ো মন্ত্রণালয় পরিচালনায় প্রাথমিকভাবে কিছুটা হিমশিম খাওয়ার অবস্থা হবে মনে করেন মন্ত্রী। তবে কঠিনেরে ভালোবাসার প্রত্যয় আমার আছে, দৃঢ়তাও আছে, বললেন মন্ত্রী। প্রধানমন্ত্রীর ইচ্ছানুযায়ী অধিকতর জনমুখী ও জনকল্যাণে উৎসর্গের মাধ্যমে সাফল্য দেখাতে সক্ষম হবেন বলে আশাপ্রকাশ করেন মন্ত্রণালয়ে নতুন দায়িত্বপ্রাপ্ত এই বর্ষিয়ান নেতা।
 

অন্যান্য সংবাদ