Skip to main content

একাদশ জাতীয় নির্বাচনে ভোট ডাকাতি হয়েছে : বাম জোট 

একাদশ জাতীয় নির্বাচনে অংশগ্রহণকারী বাম গণতান্ত্রিক জোটের প্রার্থীরা বলেছেন, ৩০ ডিসেম্বর একাদশ জাতীয় নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ হয়নি, হয়েছে ভোট ডাকাতি। গত ২৯ ডিসেম্বর রাতে ৩০ থেকে ৪০ শতাংশ ভোটারের ব্যালট পেপারে সিল মেরে বাক্সে ভর্তি করা হয়েছে। শুক্রবার সকাল ১০টায় জাতীয় প্রেসক্লাব মিলনায়তনে ঢাকাসহ সারাদেশ থেকে আসা বাম জোটের প্রার্থীরা গণশুনানিতে এসব কথা বলেন।

বাম জোটের প্রার্থীরা বলেন, দেশের জনগণের অধিকার আদায়ের জন্য ফ্যাসিবাদী আওয়ামী লীগ সরকারের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াতে হবে। নির্বাচনের আগে আমাদেরকে সভা, সমাবেশ, মিছিল ও পোষ্টার লাগাতে দেয়নি। ভোটের দিন আওয়ামী লীগ প্রার্থীর সন্ত্রাসীরা আমাদের সমর্থকদের কাছ থেকে ব্যালট পেপার ছিনিয়ে নিয়ে নৌকা মার্কায় সিল মেরেছে।

প্রার্থীরা আরও বলেন, ভোট কেন্দ্রের বাইরে লম্বা লাইন তৈরি করা হযেছে, যার ফলে অনেক ভোটার কেন্দ্রে এসেও ভোট দিতে পারেনি। আওয়ামী লীগ চায় না ভোটাররা ভোট কেন্দ্রে এসে ভোট প্রদান করুক। তাদের কাজ হলো নির্লজ্জভাবে ভোট ডাকাতি করা। অতীতে  দেশের ইতিহাসে এ ধরণের কোন কলঙ্গজনক ভোট ডাকাতি আর কখনো হয়নি। তারা বলেন, কেবল মাত্র নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনেই অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন সম্ভব। তারা এ নির্বাচন প্রত্যাখ্যান করে অচিরেই তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে নির্বাচনের দাবি জানান। 

বাম গণতান্ত্রিক জোটের সমন্বয়ক মোহাম্মদ শাহ আলমের সভাপতিত্বে গণশুনানিতে আরও যেসব প্রার্থী অংশ নেন তারা হলেন- জোনায়েদ সাকি, সাজ্জাদ জহির চন্দন, জলি তালুকদার, প্রকৌশলী শম্পা বসু, আবদুল্লাহ আল ক্বাফি রতন, আনোয়ার হোসেন বাবু, আহসান হাবিব বুলবুল, সাজিদ হোসেন রুবেল, অধ্যাপক আবদুস সাত্তার, জুঁই চাকমা ও খন্দকার মোসলেহ ইদ্দিন প্রমুখ। গণশুনানিতে উপস্থিত ছিলেন, বাম জোটের শীর্ষ নেতা খালেকুজ্জামান, সাইফুল হক, রুহিন হোসেন প্রিন্স, বজলুর রশীদ পিরোজ ও রাজেকুজ্জামান রতন প্রমুখ।     
    
 

অন্যান্য সংবাদ