Skip to main content

উত্তরাঞ্চলে শীতকালিন বাম্পার ফলন হলেও ন্যায্য দাম পাওয়া নিয়ে শঙ্কায় কৃষকরা

উত্তরাঞ্চলে শীতকালিন সবজির বাম্পার ফলন হলেও ন্যায্য দাম পাওয়া নিয়ে শঙ্কায় আছেন কৃষকরা। কারণ পর্যাপ্ত সংরক্ষণাগার না থাকায় প্রায় নামমাত্র মূল্যে বিক্রয় করতে হয় কষ্টের ফসল। এর ভেতরেও আশার আলো দেখাচ্ছে সবজিসহ কৃষিপণ্য রপ্তানি আয়বৃদ্ধি। সূত্র: চ্যানেল২৪।

বাংলাদেশ রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো বলছে, এবার বেড়েছে ১৮ শতাংশ। তবে পুরো খাতটি ঘিরে সুষ্ঠু পরিকল্পনা নেয়ার পরামর্শ দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।

যশোরাঞ্চলে কৃষকেেক সবজিচাশে লাভবান করতে সহায়তা দিচ্ছে বেশ কিছু বেসরকারি সংস্থা ও কৃষিবিভাগ। গেলো দুই মৌসুম ধরে তাদের মাধ্যমে সিঙ্গাপুর, মালয়েশিয়া, ইউরোপেও সবজি রপ্তানী করা হচ্ছে। তবে প্রযুক্তিগত আরো বেশ কিছু উন্নয়ন চান ব্যবসায়ীরা। 

যশোর জাগরণী চক্র ফাউন্ডেশনের প্রজেক্ট ডাইরেক্টর তৌহিদুল ইসলাম বলেন, বিভিন্নভাবেই সবজি লোড-আনলোড করতে হয়, কুলভ্যানের সাপোর্ট নেই এবং পোর্টে গিয়েও অনেক হ্যাচেল হয়। যার ফলে কোয়ালিটি অনেকটা নষ্ট হয়ে যায়।

উত্তরের জেলা বগুড়ায় সংরক্ষণাগারের অভাবে পানের দামে বিক্রি হচ্ছে সবজি। বারোমাসই এ জেলায় প্রচুর ফসল উৎপন্ন হয়। তাই সংরক্ষাণাগারের জন্য কাজ করছে কর্তৃপক্ষ, এমনটাই আশা জেলা মার্কেটিং অফিসারের।

‘সাদাসোনা’ খ্যাত বাগদা চিংড়ির কথা বললেই চলে আসে সাতক্ষিরার নাম। যদিও নানা সমস্যায় জর্জরিত এখানকার চাষিরা। সাতক্ষিরা জেলা চিংড়ি ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি ডা. আবুল কালাম বাবলা বলেন, কৃষকরা ন্যায্যমূল পেতে কর্তৃপক্ষের যথাযথ তদারকির মাধ্যমে বাজার সমন্বয় দরকার। 

এ প্রসঙ্গে জেলা মৎস্য কর্মকর্তা শহীদুল ইসলাম বলেন, পোনা সংগ্রহ, ঋণ সংগ্রহসহ সকলকাজে চাষিদের উৎসাহিত করা হয় এবং সহযোগিতা প্রদান করা হয়।

বাংলাদেশ রপ্তানি উন্নয়ন বোর্ডের প্রতিবেদন অনুযায়ী, নানা সমস্যার মাঝেও ২০১৭-’১৮ অর্থবছরের শুরু থেকেই ইতিবাচক ধারায় ছিলো দেশের কৃষিপণ্য রপ্তানি।

সাপ্লাই চেইন স্পেশালিস্ট মুজিবুল হক বলেন, সরকার কৃষকদের প্ল্যাটফর্ম ডেভেলপমেন্ট করতে চায়। এক্সপোর্টাররাও এক্ষেত্রে এগিয়ে এসেছে। তারা চাচ্ছে যে, দেশের এগ্রিকালচারাল সম্ভাবনাকে কাজে লাগিয়ে কিভাবে এক্সপোর্ট আর্নিংসটা বাড়ানো যায়। কৃষককে কিভাবে সরাসরি লাভবান করা যায় সে বিষয়েও সুষ্ঠু পরিকল্পনা গ্রহণেরও তাগিদ দিয়েছেন এই বিশেষজ্ঞ।