Skip to main content

ইসলামিক ও বাম দলের সঙ্গে বসবে ঐক্যফ্রন্ট

নির্বাচন প্রত্যাখানকারী ইসলামিক ও বাম দলের সঙ্গে আলোচনায় বসবে ঐক্যফ্রন্ট। এ বিষয়ে ইসলামিক ও বাম দল গুলোর সঙ্গে ঐক্যফ্রন্টের পক্ষ থেকে টেলিফোনের মাধ্যমে যোগাযোগ করা হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছে ফ্রন্টের এক শীর্ষ নেতা। তিনি বলেন, নির্বাচন প্রত্যাখানকারী সব রাজনীতিক দলের সঙ্গে আমরা সংলাপ করতে চাই। এ কারণেই তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করা হচ্ছে। আগামী দুই চারদিনের মধ্যে বিষয়টি আরো প্রকাশ্যে আসবে। এ নিয়ে ঐক্যফ্রন্টের শীর্ষ নেতারা আলোচনা করছেন কিভাবে এ সংলাপ অনুষ্টিত হবে। তিনি জানান, যেসব রাজনৈতিক দল নির্বাচন করেছে তারা বিচ্ছিনভাবে কথা বলছেন। তারা যদি চান তাহলে ঐক্যফ্রন্টের সঙ্গে অথবা যুগপৎভাবে নিজেদের পন্থায় করতে পারে। এ বিষয় গুলো নিয়েই মুলত আমরা সংলাপে বসতে চাই।
 
বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান মোহাম্মদ শাহজাহান জানান, রাজনীতিক দল গুলোর সঙ্গে সংলাপের বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। এ নিয়ে স্টিয়ারিং কমিটির শিগগির সিন্ধান্ত নেবে। আমরা চাই সরকার বিরোধী সকল রাজনীতিক দল এক প্লাটফর্মে অথবা যুগপৎভাবে আন্দেলন নিয়ে সংলাপে তাদের মতামত তুলে ধরবেন। এছাড়া বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ ও দলকে সঙ্গে নিয়ে একটি সর্বদলীয় জাতীয় সংলাপ করবে জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট। 

জোটের কয়েকজন নেতা জানান, কামাল হোসেনের দাওয়াতে এবং তার নেতৃত্বে এ সংলাপ হবে। সেখানে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশাসহ প্রায় সব দলকেই আমন্ত্রণ জানানো হবে। সর্বদলীয় একটি জাতীয় সংলাপ হবে। নেতারা বলেন, এবারের নির্বাচনের ভুক্তভোগী প্রায় সব দলই। পরবর্তী সময় কী করা উচিত বা কী ধরনের কর্মসূচিতে যাবে, সেসব বিষয়ে এ সংলাপ হবে। দুই সপ্তাহের মধ্যেই জাতীয় সংলাপটি হতে পারে বলে জানান একাধিক নেতা। 
বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দলের (বাসদ) কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক খালেকুজ্জামান জানান, এ ব্যপারে কোন যোগাযোগ হয়নি। যোগাযোগ করলে বিষয়টি নিয়ে চিন্তাভাবনা করবো।

গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়ক জোনায়েদ সাকি জানান, আমাদের সঙ্গে এ এখনো বিষয়ে ঐক্যফ্রন্টের কেউ যোগাযোগ করেনি। যোগাযোগ করলে আমরা সিদ্ধান্ত নেবো।  

ইসলামিক আন্দোলন বাংলাদেশ-আইএবি’র মহাসচিব মাওলানা ইউনুস আহমদ, বলেন,সংলাপের ব্যাপারে আমাদের ইচ্ছা আছে। যোগাযোগ হলে আলাপ আলোচনার মাধ্যমে সংলাপে অংশগ্রহনের বিষয়ে সিন্ধান্ত নেবো।
 

অন্যান্য সংবাদ