Skip to main content

আমদানি সিনেমা হলে দর্শক টানতে বরাবর ব্যর্থ

Article Highlights

বর্তমানে ঢাকাই সিনেমার নাজুক অবস্থা। দিন দিন কমে যাচ্ছে প্রেক্ষাগৃহ। একের পর এক ছবি ব্যনসায়িকভাবে মার খাচ্ছে। সবমিলিয়ে ঢাকাই সিনেমার ভবিষ্যৎ খানিকটা অন্ধকারে ঢিল ছোড়ার মতো।  তবুও দেশের হলগুলো সচল রাখতে ছবি খুঁজে বেড়ান হল মালিকরা।

বর্তমানে ঢাকাই সিনেমার নাজুক অবস্থা। দিন দিন কমে যাচ্ছে প্রেক্ষাগৃহ। একের পর এক ছবি ব্যনসায়িকভাবে মার খাচ্ছে। সবমিলিয়ে ঢাকাই সিনেমার ভবিষ্যৎ খানিকটা অন্ধকারে ঢিল ছোড়ার মতো।  তবুও দেশের হলগুলো সচল রাখতে ছবি খুঁজে বেড়ান হলমালিকরা। আমদানি কিংবা পুরাতন সিনেমা নিয়ে হল চালাতে বাধ্য হন তারা। গতবছর পুরানো ও আমদানিকৃত ছবি দিয়ে হল সচল রাখার বৃথা চেষ্টা করা হয়। পাশাপাশি দেশের পুরাতন সিনেমাগুলো হলে প্রদর্শন করা হয়। এববছরও তার ব্যতিক্রম হয়নি। আমদানি পুরাতন ছবি দিয়ে হল সচল রাখার চেষ্টা করছেন হল মালিকরা। 

বছরের শুরুতেই দুটি ছবি মুক্তি পায় ঢাকাই প্রেক্ষাগৃহে। আমদানি করা হয় ওপার বাংলার প্রশংসিত ‘বিসর্জন’ সিনেমাটি। ছবিটি মুক্তির প্রথমদিন থেকেই মুখ থুবড়ে পড়েছে। অন্যদিকে দেশীয়  ‘স্বপ্নের ঘর’ সিনেমাটি হল না পাওয়ায় একটি হলে প্রদর্শন হয়। প্রথম সপ্তাহে ‘বিসর্জন’ সিনেমার জন্য এ ছবিটি আশার মুখ দেখেনি। দ্বিতীয় সপ্তাহে এসেও ছবিটি ‘বিসর্জনের চাদরে ঢেকে পড়েছে। 

জানা গেছে, গতবছর জানুয়ারী থেকে দেশের প্রেক্ষাগৃহে দেশীয় মানহীন ও আমদানিকৃত সিনেমা প্রদর্শন করা হয়। যে ছবিগুলো আশার মুখ দেখেনি। দর্শকরা সিনেমা দেখতে এসে ফেরত গিয়েছেন। ঢাকাই সিনেমার শাকিব খানের কিছু ছবি দর্শক আগ্রহ সৃষ্টি করলেও ব্যবসা করতে পারেনি ছবিগুলো। 

ফেব্রুয়ারি মাসে দেশি ও বিদেশি সিনেমা না থাকায় সিনেমা শূন্য হয়ে পড়ে প্রেক্ষাগৃহগুলো। বাধ্য হয়ে হল মালিকরা পুরানো ছবি দিয়ে হলগুলো সচল রাখেন। গতবছর দুই ঈদ ব্যতীত বছরজুড়ে এভাবেই সিনেমা খরায় ছিল প্রেক্ষাগৃহগুলো।

চলচ্চিত্র সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ‘আমদানি সিনেমা কখনও ঢাকায় ছবির দর্শকদের হলে টানতে পারেনি। বরবরই হলে দর্শক টানতে ব্যার্থ হয়। দেশিয় দর্শকরা দেশের ছবি দেখতে পছন্দ করেন। বাংলাদেশের হলমুখী মানুষ কলকাতার সিনেমা দেখেন না। আর যারা দেখেন তারা ইন্টারনেটের মাধ্যমে দেখেন, হলে গিয়ে নয়। তবে শাকিব খানের আমদানি করা ছবি দেখেছেন বাংলাদেশের দর্শক কারণ সেই ছবিতে শাকিব ছিলো বলে।  আমদানি সিনেমা দিয়ে হল বাঁচবে না। দেশে সিনেমা হল বাঁচাতে ভালো মানের সিনেমা নির্মাণ করতে হবে। আর দেশের হলে আমদানি ছবি প্রদর্শন করা হয় কারণ দেশের যেসকল ছবি তা সব শ্রেণী দর্শকদের জন্য না।