Skip to main content

আখের রসের গুড়ের মৌ মৌ গন্ধে মাতোয়ারা কুমিল্লার অরণ্যপুর গ্রাম

Article Highlights

কুমিল্লা জেলার স্থলবন্দও বিবির বাজার সড়ক দিয়ে গেলে দেখা পাওয়া যায় অরণ্যপুর গ্রাম। গ্রামের প্রবেশের মুখে আখের রসের মৌ মৌ গন্ধে মাতোয়ারা গোটা এলাকা। আখের রস দিয়ে গুড় তৈরী ব্যস্ত একদল লোক। তাদের চারপাশে ভীড় করে আছে অসংখ্য ক্রেতা।সীমান্তবর্তী অরণ্যপুর গ্রামের প্রবেশের মুখে মূল সড়কের বামপাশে দেখা যায় আখের খেত।

কুমিল্লা জেলার স্থলবন্দও বিবির বাজার সড়ক দিয়ে গেলে দেখা পাওয়া যায় অরণ্যপুর গ্রাম। গ্রামের প্রবেশের মুখে আখের রসের মৌ মৌ গন্ধে মাতোয়ারা গোটা এলাকা। আখের রস দিয়ে গুড় তৈরী ব্যস্ত একদল লোক। তাদের চারপাশে ভীড় করে আছে অসংখ্য ক্রেতা।
সীমান্তবর্তী অরণ্যপুর গ্রামের প্রবেশের মুখে মূল সড়কের বামপাশে দেখা যায় আখের খেত। খেত থেকে কাঁচি দিয়ে আখ সংগ্রহ করে এনে স্তুপ করে রাখা হচ্ছে আখ । খেত থেকে সংগ্রহ করা আখগুলোকে পরিস্কার করে রাখা হচ্ছে। তারপর পরিস্কার করা আখগুলো মেশিনের মাধ্যমে রস সংগ্রহ করে রাখা হয় টিনের পাত্রে।

গুড়

তারপর রসগুলোকে আখের ছোবড়া ও আখের শুকনো পাতাগুলো দিয়ে দীর্ঘ সময় ধরে জ্বাল দেয়া হয়। আগুনের তাপে আখের রস জমাট বাধে গুড়ে পরিনত হয়।মাটির পাত্রে রেখে ঠান্ডা করে কেজী হিসেবে বিক্রি করা হয়। আখের রস দিয়ে তৈরী গুড় দিয়ে শীতের পিঠা খেতে ভারি মজা। আর এ কারনেই দূরদুরান্ত থেকে শত শত লোকজন অরণ্যপুরে আসে আখের গুড় কিনতে।

অরণ্যপুরে আখের গুড় তৈরি করার কারিগর শুক্কুর আলীর জানান, শীতের সময় কুমিল্লায় আসেন আখের গুড় তৈরি করার জন্য। প্রতি  ড্রাম রস জাল দিয়ে গুড় তৈরি করে দিলে ৭শ’ টাকা দেয় আখ চাষিরা। খাবার ও থাকার ব্যবস্থা আখ চাষিদের। এক ড্রাম রস জাল দিলে দশ পনের কেজি গুড় তৈরি হয়। মাটির হাড়িতে করে প্রতি কেজি গুড় বিক্রি হয় ১শ টাকায়।

গুড়৩৩৩

গুড় তৈরির  কারিগর শাহাদাত জানান, গুড় তৈরি করতে তারা শিমুল তুলা গাছের বাকলের রস ব্যবহার করেন। শিমুল তুলার বাকলের রস দিলে আখের রসে থাকা ময়লা পরিস্কার হয়।  এটা একটা দেশীয় স্বাস্থ্য সম্মত পদ্ধতি। রস তৈরি করার জ্বালানি হিসেবে আখের ছোবড়া ও আখের শুকনো পাতা ব্যবহর করেন। কথা বলার ফাঁকে সদ্য তৈরি হওয়া আখের গুড় কিনতে এসেছেন অরণ্যপুর ও পাশ্ববর্তী বিবির বাজার এলাকার যুবক আহসান ও কবির। তারা দুজন ৩ কেজি করে মোট ৬ কেজি গুড় কিনেছেন। সদ্য তৈরি করা জিবে জল আনা আখের কুসুম গরম গুড় মুখে নিয়ে তৃপ্তিতে চোখ বন্ধ করে রাখেন এ দু যুবক। গুড় ক্রেতা ওই দুইজন যুবক বলেন, দীর্ঘ সময় ধরে কিভাবে আখের রস দিয়ে গুড় তৈরি হয় তা দেখেছি। একদম তরতাজা। স্বাদে ও মানে অন্যান্য। তাই আমরা দুজন তিন কেজি করে ৬ কেজি গুড় কিনেছি। বাড়িতে নিয়ে বাবা মা ভাইবোনদেরকে নিয়ে আখের গুড় দিয়ে পিঠা খাওয়া যাবে। 
 

অন্যান্য সংবাদ